Don't Miss
Home / অর্থনীতি / ওপেক প্লাস তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিল
ওপেক প্লাস

ওপেক প্লাস তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিল

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ‘দি অরগানাইজেশন অব দি পেট্রোলিয়াম কান্ট্রিস’ বা ওপেক নামে পরিচিত। আবার ওপেকের বাইরে অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশ ও ওপেকের সদস্যদের একত্রে ওপেক প্লাস নামে অভিহিত করা হয়। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক প্লাস।

বুধবার (৫ অক্টোবর) অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ওপেকের প্রধান কার্যায়ে এক বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ২০ লাখ ব্যারেল তেলের উৎপাদন কমানো হবে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের রপ্তানি কমানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে সদস্য দেশগুলো।

ওপেকের ওই সিদ্ধান্তের পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক শতাংশ করে দাম বেড়ে যায়। আগামীতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর হঠাৎ করেই তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। গত মার্চ মাসে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৩০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

তবে তেলের দাম নির্ধারণে ওপেকের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে পশ্চিমাদের পরমাণু চুক্তি নতুন করে বহাল হওয়ার বিষয়টি নতুন ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন। ইরানের তেল রপ্তানির ওপর অবরোধ আরোপ করা হয়। তবে পরমাণু ইস্যুতে বর্তমানে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

ব্রিটেনের ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে প্রতিদিন গড়ে ১৩ লাখ ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে যোগ করতে পারবে তেহরান। পাশাপাশি এ চুক্তি ইরানের হাতে এ মুহূর্তে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ তেল দ্রুত বিশ্ববাজারে সরবরাহের পথও খুলে দেবে। এ মুহূর্তে ইরানের হাতে বিপুল পরিমাণে উত্তোলন করা তেল মজুত অবস্থায় রয়েছে। চুক্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো বিশ্ববাজারে ছাড়তে পারবে ইরান, যা তেলের বর্তমান সংকটকে প্রশমন করতে সহায়তা করবে।

গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে চলে এলেও দুই সপ্তাহের ব্যবধানে গত ২৯ আগস্ট দাম ১০০ ডলারের ওপর উঠে যায়। এরপর আবার মাত্র দুদিনের ব্যবধানে তেলের দাম ১ সেপ্টেম্বর ৯০ ডলারের নিচে নেমে যায়।

তবে ৫ সেপ্টেম্বর ওপেক প্লাসের বৈঠক সামনে রেখে ফের বাড়তে শুরু করে তেলের দাম। সর্বশেষ অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুড প্রতি ব্যারেল ৮৮ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। অপর বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ৯৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

x

Check Also

বাজেটে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ আসছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ বা নেতিবাচক ...