এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ইমরান খানের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর রটেছে গোটা পাকিস্তানে। কারণ হিসেবে জানা গেছে, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের এক সমাজকর্মীর সংস্পর্শে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
গতকাল মঙ্গলবার ফয়জল ইদহি নামের ওই সমাজকর্মীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আর এমন খবরে গোটা পাকিস্তানে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সবাই ধারণা করছেন, দেশটির সরকারপ্রধান যেহেতু তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি তারও রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ফয়জল ইদহি নামের ওই সমাজকর্মীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আর এমন খবরে গোটা পাকিস্তানে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সবাই ধারণা করছেন, দেশটির সরকারপ্রধান যেহেতু তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি তারও রয়েছে।
পাকিস্তানে ইদহি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফয়জল ইদহি। প্রয়াত মানবাধিকার কর্মী আব্দুল সাত্তার ইদহির ছেলে ফয়জল। ফয়জলের করোনা আক্রান্তের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে সাদ ইদহি এবং ইহদি ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র মোহাম্মদ বিলাল।
ফয়জলের ছেলে সাদ ইদাহি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যান ফয়জল। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করেন। তারপরেই তার শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিতে থাকে।
তিনি আরো বলেন, গত চারদিন হলো বাবার শরীরে করোনা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। গতকাল মঙ্গলবার পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। তবে তার বাবা ইসলামাবাদেই রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দাবি করছে, করোনা সংক্রমণের শিকার হওয়ার পরেও ফয়জল ইদাহি কোনো হাসপাতালে ভর্তি হননি। ইসলামাবাদের ইহদি হোমে নিজেকে সেলফ আইসোলেশেন রেখেছেন তিনি।
এদিকে, করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসার আগেই গত সপ্তাহে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করেন ফয়জল। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এক কোটি টাকার চেকও তুলে দেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, এসময় তাদের কেউই কোনো ধরনের মাস্ক ও গ্লাভস পরেননি। তাদের পাশে যারা দাঁড়িয়েছিলেন তারাও মাস্ক ও গ্লাভস পরেননি।
এর পরপরই ফয়জলের করোনা সংক্রমণের শিকার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় পাকিস্তানে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৭০৫ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯২১৬। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। ফলে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯২ জন।