এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : কানাডায় আসা শতকরা ৩৫ ভাগ ইমিগ্র্যান্ট নিজ নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে অনেকেই চলে গেছেন এক বছরের মধ্যেই।
ইমিগ্রেশন রিফুজি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডার এক অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় সম্প্রতি এই তথ্য দিয়েছে। তাদের কানাডা ছাড়ার কারণ, দ্রুত পরিবর্তনশীল মন্দা শ্রমবাজার পরিস্থিতি, চাকরির অনিশ্চয়তা ইত্যাদি।
টরন্টোস্থ বাংলা পত্রিকা প্রবাসী কন্ঠ জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন রিফুজি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডার রিপোর্টে আরো উঠে এসেছে বিপুল সংখ্যক কানাডিয়ান সিটিজেনদের কথা। যারা বর্তমানে অন্য দেশে বাস করছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ২.৮ মিলিয়ন কানাডিয়ান সিটিজেন (কানাডার মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশ) বর্তমানে অন্য দেশে বাস করছেন। এদের মধ্যে এক মিলিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, তিন লাখ হংকং এবং ৭৫ হাজার যুক্তরাজ্যে। বাকিরা অন্যান্য দেশে।
১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে কানাডায় জন্ম নেয়া নাগরিকদের মধ্যে শতকরা ১.৩৩ ভাগ অন্য দেশে চলে গেছেন। আর ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া কানাডিয়ানদের মধ্যে এই হার ৪.৫ শতাংশ।
কানাডা পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা ধনী দেশগুলোর একটি। বহু সংখ্যক সেরা ধনীরও বসবাস রয়েছে এই কানাডায়। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, প্রথম সারির ১০০ জন ধনী কানাডিয়ানের মোট সম্পত্তির পরিমান ২০০ বিলিয়ন ডলার।
কিন্তু এর উল্টো চিত্রও রয়েছে এই কানাডায়। এখানে প্রতিদিন প্রায় এক মিলিয়ন লোককে ফুড ব্যাংকের স্মরনাপন্ন হতে হয় অভাবের তারনায়। আর এর প্রায় অর্ধেকই শিশু ও নতুন ইমিগ্রেন্ট।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে সকল ইমিগ্রেন্ট এখানে এসেছে গত পাঁচ বছর বা তারো কম সময়ে, তাদের মধ্যে শতকরা ৩৬ ভাগই দারিদ্রসীমার নিচে বাস করছে। যাদের বয়স পঞ্চাশ বা তারো বেশী তাদের অবস্থা আরো করুন। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় এখন থেকে দুই দশক আগে ইমিগ্রেন্টদের মধ্যে শতকরা ২৫ ভাগ ছিল দারিদ্রসীমার নিচে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমিগ্রেন্টদের বর্তমান দারিদ্রতার বিষয়টি একটি বিস্ফোরম্মুখ অবস্থায় বিরাজ করছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

