এমএনএ ইন্টার্যাশনাল ডেস্ক : কিউবার রাজধানী হাভানায় বোয়িং ৭৩৭ যাত্রাবাহী বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়ে প্রায় শতাধিক আরোহী নিহত হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দেশটির হোসে মারতি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের পর পর উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সংখ্যা জানা যায়নি। কিউবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনসহ বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর নিশ্চিত করেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কিউবার জাতীয় এয়ারলাইন সংস্থা কিউবানা ডি অ্যাভিয়েশনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি বোয়িং ৭৩৭ মডেলের। সংবাদ সংস্থা প্রেনজা লাতিনার খবরে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই উড়োজাহাজটি নিচে নেমে আসে এবং বিধ্বস্ত হয়।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, উড়োজাহাজটিতে ১০৭জন আরোহী ছিলেন। এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের ফ্লাইটে ১০৭ জন যাত্রীর পাশপাশি কয়েকজন ক্রুও ছিলেন।
রেডিও হাভানা কিউবা জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি যাত্রী নিয়ে হাভানা থেকে হলগুইন শহরে যাচ্ছিল। এটি ছিল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট। দুর্ঘটনার পর পরই অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের কারণ সম্পর্কেও কিছু জানা যায়নি।
দেশটির টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ছবিতে দেখা গেছে, বিমানবন্দর থেকে ব্যাপক কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হয়ে আসছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত মাসে শপথ নেয়া কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়ের ডিয়াজ-কানেল ঘটনাস্থলের পথে রওনা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সেখানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এটা এক দূর্ভাগ্যজনক বিমান দূর্ঘটনা।
দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, দুর্ঘটনায় পড়া উড়োজাহাজটি ২৬ বছরের পুরনো। প্যানোরমা এয়ারলাইন্সের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে সেটি চালানো হচ্ছিল।