এমএনএ জাতীয় ডেস্কঃ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমরা আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করলে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ১৪৭তম রিফ্রেশার কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার শর্তসাপেক্ষ মুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তির মেয়াদের আবেদন পেলেই সরকার তা আবারও বাড়াবে।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। পরে একই প্রক্রিয়ায় কয়েক দফা তাঁর মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিচারকদের উদ্দেশ্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, ঋণখেলাপিরা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ঋণখেলাপিদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এ ছাড়া মামলার শুনানিতে ঋণখেলাপিদের অযৌক্তির সময় দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
আনিসুল হক বলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলে ঋণ খেলাপের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার পেতে প্রতিদিন লাখো মানুষ আদালতের বারান্দায় ধরনা দিচ্ছে। আপনাদের দ্রুত বিচার (রায়) দিয়ে তাদের দুঃখ দূর করতে হবে।
বিচারকদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, পদের কথা চিন্তা করে মনের কথা সবসময় বলা যাবে না, সংযত হতে হবে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

