ঘন কুয়াশায় বিমান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্নিত
Posted by: News Desk
December 20, 2017
এমএনএ রিপোর্ট : ঘন কুয়াশার কারণে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টা থেকে আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সব ধরনের বিমান ওঠানামা বন্ধ ছিল। এ সময় প্রায় ১৭টি ফ্লাইটের ওঠানামায় বিঘ্ন ঘটে। বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে ৭টি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। আর ১০টি ফ্লাইট শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারেনি। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় অভ্যন্তরীণ রুটের একটি ফ্লাইট কক্সবাজার যায়। সোয়া ১০টার পর থেকে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচল শুরু শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
রেজাউল করিম আরও জানান, থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট রাত ১২টা ৪১ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে নামতে না পেরে সেটি আবার ব্যাংককে ফেরত চলে গেছে। এ ছাড়া সৌদি, গালফ ও একটি কার্গো বিমান চলে গেছে কলকাতায়। ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট চলে গেছে চট্টগ্রামে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবারও কুয়াশার কারণে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়। ওইদিন সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে আসা ২৫টি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে অবতরণ করতে পারেনি। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অবতরণ শুরু হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ কুয়াশার মাত্রা অনেক বেশি। গতকাল মঙ্গলবার উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় কুয়াশা ছিল। আজ বুধবার দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলেও ঘন কুয়াশা পড়েছে। ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন দৃষ্টিসীমা ছিল ২০০ মিটার। আর সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন দৃষ্টিসীমা ছিল ময়মনসিংহে ১০০ মিটার। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে এখন কুয়াশা পড়ছে। শীতের তীব্রতাও বাড়ছে। শৈত্যপ্রবাহ এখনো নেই। তবে এ মাসের শেষ বা জানুয়ারির প্রথম দিকে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। ঘন কুয়াশার এ অবস্থা আরও কয়েক দিন চলবে।
বিমান চলাচলে মারাত্মক ঘন কুয়াশায় বিঘ্নিত 2017-12-20