সিলেট ব্যুরো অফিস : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘিরে থাকা ‘জঙ্গি আস্তানায়’ চার ঘন্টা পর আবারো শুরু হয়েছে ব্যাপক গোলাগুলি। আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা ১৮ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে এ গোলাগুলি।
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে নাসিরপুর ও শহরের বড়হাট এলাকায় দুটি বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ, র্যাব ও পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। একটি বাড়ির অবস্থান সদর উপজেলার খলিলপুর
ইউনিয়নের নাসিরপুর এলাকায়। আরেকটি বাড়ি মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায় অবস্থিত। দুটি স্থানের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
আজ বুধবার সকাল সাতটা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যেও দু’টি জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। সাড়ে ১১টার দিকে বড়হাটের আস্তানার ভেতরে বিকট শব্দে তিনটি গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা।
মৌলভীবাজারের দুই জঙ্গি আস্তানার একটি সদর উপজেলার নাসিরপুর এলাকার জঙ্গি আস্তানায় র্যাব, পুলিশের বিশেষ বাহিনী সোয়াত (সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাক্টিকস) ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল আজ বুধবার বিকেলে পাঁচটার দিকে একাধিক যানবাহনে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছার ঘন্টা দেড়েক পরেই শুরু হয় গোলাগুলি। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিক থেকে সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত অর্ধশতাধিক একই ধরনের গুলির শব্দ পাওয়া গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ অবস্থা চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, আজ বিকেল পৌনে চারটার দিকে একটি মিনিবাস ও চারটি মাইক্রোবাসে করে সোয়াতের সদস্যদের সিলেট থেকে মৌলভীবাজারের জঙ্গিদের আস্তানার দিকে যেতে দেখা যায়। এর পাঁচ মিনিট পর
বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের একটি যানকে একই পথে যেতে দেখা গেছে।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শাহ জালাল আজ বুধবার সকালে বলেন, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে পৃথক দুটি স্থানে দুটি বাড়ি ঘিরে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানা থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে।
নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানার কাছে সকালে থেমে থেমে গুলির শব্দ শুনতে পাওয়ার তথ্য জানায়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নাসিরপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে মাইকিং করতে দেখা যায়। সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানার আশপাশ থেকে লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

