এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্ক : এক মাসের ব্যবধানে জুলাই মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা নিম্নমুখী লক্ষ্য করাগেছে। জুন মাসে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ থাকার পর জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশে। এ সময় খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।
গতকাল মঙ্গলবার একনেক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত জুনের বিধিনিষেধে নিত্যপণ্য পরিবহনে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে জুনে সব খাতেই মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
জুনের তুলনায় জুলাইয়ে সব কিছুর দাম স্বাভাবিক থাকায় মূল্যস্ফীতি কমেছে। অন্যান্য মাসে মূল্যস্ফীতির এক খাতে কমলে আরেক খাতে বাড়ে’ কিন্তু জুলাইয়ে সব খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে।সব মিলিয়ে খাদ্যে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা জুন মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যালোচনা করে বিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্য যেমন—ডিম, ব্রয়লার মুরগি, বেগুন, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, পটোল, চিচিঙ্গা, পেঁপে, ঢ্যাঁড়শ, শসা, গাজর, লেবু ইত্যাদির মূল্য কমেছে। তবে লাউ, টম্যাটো, কচুরমুখি, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, এলাচ, দারুচিনি, জিরা ইত্যাদির দাম বেড়েছে।
এছাড়া খাদ্যপণ্য যেমন—আটা, ময়দা, চিনি, লবণ, নুডলস ইত্যাদি এবং খাদ্যবহির্ভূত ভোগ্যপণ্য যেমন পোশাকাদি, ওষুধ ইত্যাদির মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শহর ও গ্রামের মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রামীণ অঞ্চলে জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ যা জুলাইয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

