এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : এতোদিনের জোর আলোচনা আর গুঞ্জন শেষে সাকিব আল হাসানই হলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। আজ শনিবার এই টাইগার অলরাউন্ডারকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মাশরাফি বিন মুর্তজা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলার পর থেকেই নতুন অধিনায়ক হিসেবে শোনা যাচ্ছিল সাকিব আল হাসানের নাম। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানও জানিয়েছিলেন, মাশরাফির পর টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
আজ শনিবার বিসিবির নির্বাহী কমিটির ১৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সাকিবকে মাশরাফি বিন মুর্তজার উত্তরসূরি হিসেবে ঘোষণা করেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
সাকিবের সঙ্গে আরও দু-একজনের নাম সভায় উঠেছিল। তবে সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন সাকিবই।

২০১৪ সালের শেষের দিকে টি-টোয়েন্টিতে মাশরাফির সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন সাকিব। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নেন মাশরাফি। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে সাকিবকেই বেছে নেয় বিসিবি। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন সাকিব। মাশরাফির অনুপস্থিতিতে তার নেতৃত্বেই ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ক্যারিবিয়ানদের টেস্ট (২-০) ও ওয়ানডে (৩-০) সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।
এরই মধ্য দিয়ে তিন ধরনের ফরম্যাটে ভিন্ন তিন অধিনায়কের যেই ‘থিওরি’ লালন করে আসছিলেন পাপন সেটি বাস্তবে রূপ নিল। মাশরাফি ওয়ানডে দলে, মুশফিকুর রহীম টেস্ট দলের এবং সাকিব টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে আম্পায়ারিং কমিটির নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে শেখ সোহেলকে।
আইপিএল খেলতে সাকিব আল হাসান এখন ভারতে রয়েছেন। সামনে টাইগারদের কোনো টি ২০ সিরিজও নেই।
মে মাসে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নেবে বাংলাদেশ। এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নেবে টাইগাররা।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

