এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : জার্মানির হামবুর্গে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প-পুতিনের সোয়া ২ ঘণ্টার একটি ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো এই আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ও পুতিনের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে উঠে এসেছিল গত বছরের মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগের প্রসঙ্গটি। এ বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে যে বাক্য বিনিময় হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী রেক্স টিলারসেনের বর্ণনায় তা ছিল ‘জোরালো’।
যদিও বৈঠকের পর রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, এ ব্যাপারে রাশিয়ার কোনো দায় নেই— ভ্লাদিমির পুতিনের এমন বক্তব্য মেনে নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে টিলারসেনের ভাষ্য, এই প্রসঙ্গে দুই দেশ কখনো একমত হবে কি না সেটা স্পষ্ট হয়নি।
এই আলোচনায় মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ ছাড়াও ঠাঁই পায় সিরিয়া যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ এবং সাইবার নিরাপত্তা প্রসঙ্গ।
রেক্স টিলারসেন বলেন, দুই নেতা খুব দ্রুতই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেন। দুজনের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে ইতিবাচক রসায়ন ছিল। টেবিলে আলোচনার জন্য এত বেশি ইস্যু ছিল যে, দুজনের কেউই থামতেই চাইছিলেন না।
তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, এমনকি এক পর্যায়ে ফার্স্ট লেডিকে পর্যন্ত ভেতরে পাঠানো হয়েছিল, যদি আমাদের বের করে নেওয়া যায়। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এর পর আরও এক ঘণ্টা বৈঠক করেছি।’
বৈঠক শুরুর আগে যখন দুই নেতা ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছিলেন, তখন পুতিনকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ায় সম্মানিত বোধ করছি।’
জবাবে পুতিন বলেন, ‘আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ দুজনেই অবশ্যই কথা বলার জন্য অনুবাদকের সাহায্য নিচ্ছিলেন।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

