Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন ইমানুয়েল ম্যাখোঁ

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন ইমানুয়েল ম্যাখোঁ

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) এবারের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ছাপিয়ে জায়গা করে নিতে যাচ্ছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ, পর্যবেক্ষকরা তেমনটাই ধারণা করছেন। তাঁদের মতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অতি রক্ষণশীল ‘সবার আগে আমেরিকা’ নীতির বিপরীতে ম্যাখোঁর সংস্কারমূলক কাজ তাঁকে এগিয়ে দিচ্ছে। এ ছাড়া নেতৃস্থানীয় অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের সমস্যা নিয়ে জেরবার হচ্ছে, যেখানে ম্যাখোঁ বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। সেটাকেও একটা কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ডাব্লিউইএফের বার্ষিক সম্মেলন। আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানরা গতকাল বুধবার থেকে তাঁদের বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন আগামীকাল শুক্রবার। সম্মেলনের এ সমাপনী দিনে তিনি ভাষণ দেবেন।
বিশ্ব অর্থনীতির এ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁর দিকে বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী নেতাদের নজরটা এখন সবচেয়ে বেশি। ডাভোসে পৌঁছানোর আগের দিন সোমবার তিনি ফ্রান্সে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন। ওই সব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফ্রান্সে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের ঘোষণার পর তিনি ডাভোসের উদ্দেশে রওনা হন।
বিশ্বের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের বিপরীতে ফ্রান্সের তরুণ নেতা ম্যাখোঁকে সম্ভাবনাময় হিসেবে দেখছেন খোদ আমেরিকান ব্যবসায়ীরা। আমেরিকাভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান এডেলম্যানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী রিচার্ড এডেলম্যান এ ফরাসি নেতা সম্পর্কে বলেন, ‘সে-ই এখন আশা। এ হচ্ছে সেই ব্যক্তি যিনি নিজের দল গড়েছেন। উনি এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়ন করেছেন।’
বিশ্ববাণিজ্যের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হওয়ার জন্য ট্রাম্পের রক্ষণশীল নীতিকে দায়ী করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তার অর্থমন্ত্রী স্টিভেন ন্যুচিন অবশ্য গতকাল দাবি করেছেন, ‘সবার আগে আমেরিকা—এর মানে হলো বাকি বিশ্বের সঙ্গে মিলে কাজ করা। এর মানে হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকানদের স্বার্থ রক্ষার দিকে নজর দিচ্ছেন। অন্য নেতারাও তাঁদের নিজেদের দেশের জন্য সেটাই করেন। তাঁদের সঙ্গে ট্রাম্পের তো পার্থক্য নেই।’
ইউরোপের সবচেয়ে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানির চ্যান্সেলর হয়েও অ্যাঙ্গেলা মার্কেল কেন আন্তর্জাতিক নেতৃত্বে পিছিয়ে পড়লেন, সে ব্যাপারে খোদ তাঁর দেশের দৈনিক হান্দেলসব্লাত বলছে, হাত ‘বাঁধা’ অবস্থায় ডাভোসের দিকে রওনা হচ্ছেন মার্কেল।
না বললেই নয়, জার্মানিতে গত সেপ্টেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে মার্কেলের চ্যান্সেলরশিপ বেঁচে গেছে বটে, তবে তাঁর দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বাকি দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় তিনি এখনো সরকার গঠন করতে পারেননি। দেশের পরিস্থিতি নিয়ে বিপাকে থাকা চ্যান্সেলর ডাব্লিউইএফ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারবেন কি না, সেটা নিশ্চিত করতেই অনেক দেরি করেছেন। অভ্যন্তরীণ সংকটে জেরবার মার্কেলের আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষক সংস্থা কার্নেগি ইউরোপের জুডি ডেম্পসে ব্লগ পোস্টে লেখেন, ‘একটা সময় ছিল, যখন মার্কেল ভাবতে পারতেন, তাঁর নেতৃত্বে ইউরোপের গতি অব্যাহত থাকবে, কিন্তু ফ্রান্সের দুর্বল নেতৃত্বে সেটা কঠিন হবে। সেই সময়টা শেষ। সূত্র : এএফপি
x

Check Also

প্রশাসনে একাধিক রদবদল, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, মহিলা অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

এমএনএ প্রতিবেদক সরকার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দপ্তরে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং পদায়নের মাধ্যমে একাধিক রদবদল এনেছে। ...