Don't Miss
Home / অর্থনীতি / ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এমএনএ রিপোর্ট : রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশের মাঠে বাণিজ্য মেলার ২৩তম এই আসরের উদ্বোধন করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে এই মেলার আয়োজক।
৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মেলা উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশ টিকিটের মূল্য প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবারের মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, হংকং, ভিয়েতনাম, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো এবং ভুটানের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে।
এবারের মেলায় ১৪ ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশের ৫৮৯টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে-৬৪টি প্রিমিয়াম প্যাভিলিয়ন, ৩৬টি মিনি প্রিমিয়াম প্যাভিলিয়ন, ১৭টি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, ২৫টি মিনি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, চারটি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ছয়টি মিনি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ২৭টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন এবং ৮টি মিনি বিদেশি প্যাভিলিয়ন। এছাড়া ৬৭টি প্রিমিয়ার স্টল, ১৮টি বিদেশি স্টল, ২৬০টি সাধারণ স্টল ও ২৪টি ফুড স্টল।
অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করবে। মেলাকে ভিন্নকে আঙ্গিকে সাজাতে মেলায় ফিশ ও বার্ড অ্যাকুরিয়াম প্রদর্শন করা হবে, শিশুদের জন্য থাকবে পার্ক, গেমিং জোন ও খেলার উপকরণ। এবারের মেলার মূল ফটকে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।
বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) বর্তমানে শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেই কাজ করছে না, এটা নগরবাসীর জন্য অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রও হয়ে উঠেছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে মেলার সার্বিক সুশৃঙ্খল আয়োজনে।
উদ্যোক্তরা জানান, ‘আমরাও পারি’ থিম নিয়ে আয়োজিত ২৩তম বাণিজ্য মেলার মূল ফটকটি পদ্মা সেতুতে স্থাপিত প্রথম স্প্যানটির আদলে নির্মাণ করা হয়েছে।
মেলার ভেতরটায় বেশ ফাঁকা জায়গা রেখে এর দুই প্রান্ত সুন্দরবন ইকোপার্কের আদলে তৈরি করা হয়েছে। চলার পথগুলো অতীতের চেয়ে আরো প্রশস্থ করা হয়েছে। মেলায় ২টি শিশু পার্ক, রক্ত সংগ্রহ কেন্দ্র, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে। রয়েছে অর্কিড বাগান।
গত বছরের তুলনায় এ বছর বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ননের আকার দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় এ প্যাভিলিয়নটি নান্দনিক করে সাজানো হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম এবং দেশি-বিদেশি সবাই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে।
মেলায় ১০০টি সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ডিএমপি সিসিটিভি মনিটর করবেন। প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে রোভার স্কাউটরা থাকছে।
এ ছাড়া বাণিজ্য মেলাকে পর্যায়ক্রমে ৩৬০ ডিগ্রি ভার্চ্যুয়াল ট্যুরের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। গুগল স্ট্রিট ভিউ, ওয়েবসাইট, ফেসবুক, গুগলে দেশ-বিদেশ থেকে যে–কেউ, যেকোনো সময়ে অনলাইনে VR Goggles-এর সাহায্যে অনলাইনে বসে বাণিজ্যমেলা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবে।
পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের ৩৬০ ডিগ্রি ইনসাইডসহ বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি, তাঁর জীবনের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র www.ditflive.com, www.bangabandhupavilion.com/org ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে উপভোগ করা যাবে।
বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণটি 3D Truk-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন স্টলের পাশে প্রদর্শন করার ব্যবস্থা রয়েছে। ডিআইটিএফ-২০১৮ এর লে-আউট প্ল্যান এবার ডিজিটাল ব্লো-আপ বোর্ডের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে।
x

Check Also

বাজেটে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ আসছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ বা নেতিবাচক ...