এমএনএ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তাজিক-আফগান সীমান্তে রাশিয়ার নেতৃত্বে ছয় দিনের বেশি সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।দক্ষিণ থেকে কোনো হামলা হলে দুশনাবে রক্ষায় মস্কোর প্রস্তুতির কথা জানান দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৩ অক্টোবর) এই মহড়া শেষ হয়েছে।আগস্টে কাবুল সরকারের পতন ঘটলে তালেবানের সঙ্গে তাজিকিস্তানের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। দুই দেশের সীমান্তে সেনা জড়ো করা নিয়ে মস্কো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
তাজিকিস্তানে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থা (সিএসটিও) এই মহড়া দিয়েছে।এতে বেলারুস, আর্মেনিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তানের চার হাজার সেনাসহ ট্যাংক, গোলন্দাজ ও যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
তাজিক প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেরালি মিরজো বলেন, এই প্রথম এতো বড় মাত্রায় কোনো সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিএসটিও’র মহাসচিব স্ট্যানিসলাভ জাস বলেন, তাজিকিস্তানের ভূখণ্ডে কোনো সামরিক অভিযান সহ্য করা হবে না, তা দেখাতেই আমরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছি। দুশানবেকে এককভাবে আমরা ঝুঁকিতে ফেলে রাখতে চাই না।
কয়েক লাখ তাজিক আফগানিস্তানে বসবাস করছেন, যা দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তর নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী। নৃতাত্ত্বিকভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠন করতে না পারায় পশতু-প্রধান তালেবানের কঠোর সমালোচনা করেছেন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রাখমন।রুশ সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাখমনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নৃতাত্ত্বিক তাজিক মিলিশিয়াদের সঙ্গে জোট গঠন করেছে তালেবান।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

