
এমএনএ ফিচার ডেস্ক : দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু খেয়ে মসজিদে গমন করা অনুচিত। কারণ এ সম্পর্কে সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, “যে ব্যক্তি পেঁয়াজ, রসুন, কুর্রাছ খাবে কিংবা ধুমপান করে, সে যেন কখনই আমাদের মসজিদ পানে না আসে। কেননা বনী আদম যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৪]
আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে বনু আদম! তোমরা প্রতি সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্যকে ধারণ কর” [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১] [অর্থাৎ তোমরা পোশাক পরিধান কর ও শালীন পরিবেশ বজায় রাখ। কিন্তু দুর্গন্ধ পরিবেশকে কলুষিত করে তোলে।]
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ হে ব্যক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ খাবে, সে
যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে এবং নিজ বাড়ীতে বসে থাকে”। [সহীহ বুখারী; সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৪১৭৯]
সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, “হে ব্যক্তি পেঁয়াজ, রসুন ও কুর্রাছ খাবে, সে যেন কখনই আমাদের মসজিদ পানে না আসে। কেননা বনী আদম যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৪]
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু একদা জুমু‘আর খুৎবায় বলেছিলেন, হে লোক সকল! তোমরা দু’টি গাছ খেয়ে থাক। আমি ঐ দু’টিকে কদর্য ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না। সে দু’টি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। কেননা আমি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, “কারো মুখ থেকে তিনি এ দুটির গন্ধ পেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন। ফলে তাকে বাক্বী‘ গোরস্থানের দিকে বের করে দেওয়া হতো। সুতরাং কাউকে তা খেতে হলে সে যেন পাকিয়ে খায়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬৭।]
অনেকেই কাজ-কর্ম শেষে হাত-মুখ ধোয়ার আগেই মসজিদে ঢুকে পড়ে। এদিকে ঘামের জন্য তার বগল ও মোজা দিয়ে বিশ্রী রকমের গন্ধ বের হতে থাকে। এ ধরনের লোকও উক্ত বিধানের আওতায় পড়বে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

