Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / দেশে ৮৫ ভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী ইন্টারনেটে পর্নো দেখে

দেশে ৮৫ ভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী ইন্টারনেটে পর্নো দেখে

এমএনএ সাইটেক ডেস্ক : ইন্টারনেট ব্যবহার করে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৮০ ভাগ ও মোবাইল ব্যবহারকারীদের ৮৫ ভাগ লোক পর্নোগ্রাফি দেখছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ।

৫ আগষ্ট শনিবার সাম্প্রতি নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নির্যাতন বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তাদের একটি জরিপ প্রতিবেদনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিবেদনে সংগঠনটি দাবি করেন, দেশ উন্নত হচ্ছে বা মানুষ শিক্ষিত হলেও এ বর্বরতাকে যেন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। ধর্ষণের শিকার বা বর্বরতা পূর্বেও ঘটেছে একথা সত্য। তবে ইন্টারনেটের কল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে এর সংখা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন প্রযুক্তি ছিল না তখন কিছু গ্রাম বা পাড়া মহল্লায় কিংবা কতিপয় সিনেমা হলে ইংরেজী সিনেমার নাম করে অশ্লীল ছবি চালানো হতো।

এছাড়াও সর্বোচ্চ যাত্রা আয়োজনের নামে কিছু অশ্লীল নিত্যই ছিল অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু কালের বিবর্তনের সাথে সাথে প্রযুক্তি মানুষকে সব কিছুই হাতের নাগালে এনে দিয়েছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ৮০ ভাগ, মুঠোফোন ব্যবহার কারীদের ৮৫ ভাগ লোক পর্নোগ্রাফি দেখছে।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত বছর মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন পর্নোগ্রাফি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায় স্কুল পড়ুয়া তরুণদের ৭৭ ভাগই পর্নোগ্রাফি দেখেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইউটিউব, ফাইয়ার ফাই, ফেসবুকসহ অসংখ্য সাইটে পর্নোগ্রাফি ছড়াছড়ি।

পাশাপাশি মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ এ করে পাড়া মহল্লায় গান ও ছবি লোড করার দোকান থেকে ২০ থেকে ৩০ টাকার বিনিময়ে এ সকল ছবি সহসাই পাওয়া যায়। এ নিয়ে আমাদের সংগঠনের কর্মীদের দিয়ে ঢাকা শহরের যাত্রাবাড়ী, সায়দাবাদ, পোস্তগোলা, কেরানিগঞ্জ, মিরপুর,মহাখালী, ফার্মগেট, গাবতলী,আমিন বাজার ও সাভার এলাকায় দশটি করে গান লোডের দোকানে জরিপ করা হয়।

জানা গেছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র, শ্রমিক এমনকি অনেক বৃদ্ধ বনিতারাও তাদের মেমোরি কার্ড বা পেনড্রাইভে পর্নোগ্রাফি লোড করে নেয়। তারা এও বলেন যে, স্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেটের গ্রাহক বৃদ্ধি পাবার ফলে তাদের এ ধরনের গ্রাহকের সংখ্যা কমে গেছে। বর্তমানে প্রত্যেক গ্রাহকই নিজে নিজে তার ডিভাইস দ্বারা ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যদিও আমাদের দেশে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন -২০১২, অশ্লীল বিজ্ঞাপণ নিষিদ্ধ আইন-১৯৬৩ থাকলেও তার কোন প্রয়োগ না থাকায় পর্ণোগ্রাফি ও অশ্লীলতায় সারাদেশ আজ ভরে গেছে।

টেলিভিশনে ভারতীয় চ্যানেল ও স্থানীয় কেবল অপারেটরদের চ্যানেল গুলিতে হর হামেশায়ই যৌন বর্ধক ঔষধের উত্তেজনাকর বিজ্ঞাপন প্রচারিত হলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায় না।

অন্যদিকে ইয়াবার মতো ট্যাবলেট যৌন বর্ধক হিসেবে ঔষধ ব্যবহার হয়। এই ইয়াবার ছোবল সারাদেশে এতটাই বিস্তার লাভ করেছে যে, যুব সমাজ আজ ধংসের মুখে।

ইয়াবা এবং পর্নোগ্রাফি এতটাই বিস্তার লাভ করেছে যে, এসকল ভোগ করে কিছু উশৃংখল লোক সমাজে নানা ধরনের অঘটন যেমন নারী ও শিশু ধর্ষণ সহ এমন কোন অন্যায় কাজ নেই যা তারা করছে না। তাই দ্রুত এসকল অপকর্ম রোধ করতে ভ্রাম্যমান আদালত সহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি।

x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...