এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্ক : ঢাকার ধামরাইয়ে দুই বছর আগে ইউটুব থেকে আপেল কুল চাষের ভিডিও কন্ট্রেন দেখে, কয়েক জাতের আপেল কুল ১২শ চারা রোপণ করে প্রথমদিকে ক্ষতির মুখে পড়লেও এবছর কুল চাষের ফলন ভালো হওয়ায় আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী ও লাভবান হয়েছেন হাবিবুর রহমান নামে এক অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য।রবিবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কান্দাপাড়া ২ বছর আগে ফরিদপুর থেকে ১২০০শত চারা এনে রোপন করে হাবিবুর রহমান বানিজ্যিক ভাবে পাচঁ বিঘা জমিতে কুল চাষ শুরু করেন।
হাবিবুর রহমান জানান, ২০১৩ সালে সেনা বাহিনী থেকে অবসরে যান তিনি, পরে অবসর সময়ে ইউটিউব থেকে কুল চাষের ভিডিও প্রতিবেদন দেখে দুই বছর আগে ফরিদপুর থেকে ১২০০শত চারা এনে রোপন করে, কিন্তু সে বছর বন্যায় কারণে প্রায় ১১০০ শত চারা তার মরে যায়, এতে তার প্রায় ২,৮০০০০ টাকা লোকসান হয়। তবুও কুল চাষের হাল ছাড়েননি তিনি।
বন্যার পর আবার তিনি পাচঁ বিঘা জমিতে বল সুন্দরী, কাশ্মিরী, থাই কুল জাতের ৮০০ শত চারা রোপন করে, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কুলের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। তার বাগানের উৎপাদিত আপেল কুল, বল সুন্দরী, কাশ্মিরী, থাই কুল সুস্বাদু আর মিষ্টি হওয়ায় এলাকায় যেমন চাহিদা রয়েছে, তেমনি এই কুল চাষ করে এখন তিনি এলাকার অনেকের কাছে মডেল হয়ে গেছেন। তার দেখা দেখি এলাকার অনেকেই এই আপেল কুল চাষের দিকে ঝুঁকছেন।
হাবিবুর রহমান বলেন, পাচঁ বিঘা জমিতে বল সুন্দরী, কাশ্মিরী, থাই কুল জাতের চারা লাগিয়েছি, এ বছর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। সরকারী ভাবে সহায়তা পেলে কুল চাষ আরো ভাবে করতে পারবো।
এবিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার আরিফুল হাসান বিডি২৪লাইভকে বলেন, এই উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের কুল চাষ হয়ে থাকে, মৌসুমি আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার ফলন বেশি হয়েছে, উপজেলা ঢাকার পার্শ্বেবতী হওয়ায় চাষীরা বাজার মূল্যটা বেশি পাচ্ছে। আর কুল চাষে কুলের পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম হয়,কুল চাষের পর পরই যদি তাদের ব্রান্স গুলা কেটে দেওয়া যায়, পরর্বতী সময় নতুন ব্রান্সে যে কুল আসে সেখানে রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম হয়। এজন্যই বাণিজ্যিক ভাবে কুল চাষের আবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

