Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / নতুন সরকার গঠনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে : সিইসি

নতুন সরকার গঠনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে : সিইসি

এমএনএ রিপোর্ট : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, দেশব্যাপী নির্বাচনমুখী সুবাতাস বলে দিচ্ছে ৩০ ডিসেম্বরের পর নতুন সরকার গঠনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সমগ্র দেশে নির্বাচনের একটি সুবাতাস, আবহ, একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও এর আগে আরেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই। সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। এমনকি বিএনপি, ঐক্যফন্ট, স্বতন্ত্রসহ মহাজোটের বাইরের প্রার্থীরা বার বার ইসিতে গিয়ে তাদের ওপর হামলা-মামলার অভিযোগ করছেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মাঠ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কে এম নূরুল হুদা বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে, সমগ্র দেশে নির্বাচনের একটি সুবাতাস, আবহ, একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মধ্যে স্বতস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। তারা অনবরত সভা-মিছিল করে যাচ্ছেন এবং প্রার্থীরা তাদের ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। সুতরাং দেশব্যাপী নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে একটা নতুন সরকার গঠন হবে ৩০ তারিখের পরে.. সেটার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটার নিয়ামক হিসেবে আপনারা যে যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্বপালন করবেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে নির্বাচনের দিন সফটয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিসটেম(ইএমএস), ক্যানডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (সিআইএমএস) এবং রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (আরএমএস) প্রশিক্ষণে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা দেওয়ার ব্যাপারে সিইসি বলেন, এই অভিযোগগুলো আমাদের কাছে না এসে তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসার এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান পাওয়া যাবে।

সিইসি আরও বলেন, আমাদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে যে,যেসকল কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে তারা সক্ষমতার সাথে, স্বার্থকতার সাথে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আমরা প্রশিক্ষণের এমন কোনো স্তর বাদ রাখিনি যে কারণে মাঠপর্যায়ে গিয়ে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের কোনো ঘাটতি থাকে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি বলেন, ভোটারদের যে ইচ্ছা, ভোট প্রদানের যারা প্রার্থী, তাদের যে প্রাপ্তি-সেগুলো আপনাদের হাতে থাকবে, তা সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও বিতরণ করার দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন এবং সেখানকার গুরুদায়িত্ব আপনাদের ওপরেই।

সিইসি বলেন, নতুন কতগুলো দিক নিয়ে এ বছর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ইভিএমের কথা বলা হয়েছে। অন্যান্য সব সব প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আরেকটি নতুন যোগ হয়েছে সেটি হলো প্রার্থীদের যে এজেন্ট কেন্দ্রে থাকবেন সেই পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া। আমরা তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবো। তারা তাদের এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেবে। এটার উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে নির্বাচন কার্যক্রমের যে নীতি, আচরণবিধি, নির্বাচন পরিচালনা বিধি, পোলিং বুথের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক অবস্থা এসবগুলো ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পোলিং এজেন্টদের ধারণা দেয়া। যাতে পোলিং এজেন্ট বুঝতে পারে তার দায়িত্ব কী। সেখানে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসাররা বিষয়টি বুঝতে পারেন। যার ফলে আইনগত দিকগুলো পোলিং এজেন্টরা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন এবং ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু এবং স্বাভাবিক থাকবে বলেও উল্লেখ করেন সিইসি।

ভোটের ফল গণনার ব্যাপারে কর্মকর্তাদের সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, একটু ভুলের কারণে এলাকায় লঙ্কাকাণ্ড ঘটে যেতে পারে। সুন্দরভাবে চেক করে ফলাফল পাঠাবেন।

x

Check Also

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত চালুতে সরকারের জোর তৎপরতা: উপদেষ্টা মাহদী

এমএনএ প্রতিবেদক মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ...