নীলফামারী জেলা পুরোদমে লকডাউন
Posted by: News Desk
April 15, 2020
এমএনএ জেলা প্রতিনিধি : চারজন করোনা রোগী শনাক্তের পর নীলফামারী জেলা পুরোদম লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে লকডাউনের এই ঘোষণা মাইকে প্রচার করে জেলা তথ্য বিভাগ।
এর আগে ৯ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জেলায় সব ধরনের যানবাহন ও গণপরিবহন প্রবেশ-বহির্গমন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ১০ এপ্রিল সকাল থেকে সে সিদ্ধান্ত কার্যকরে মাঠে নামে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যা ব।
গতকাল মঙ্গলবার ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে লকডাউনের ঘোষণাটি প্রচার করা হয়। গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জেলার অভ্যন্তরে সব ধরনের যানবাহন, দোকানপাট, সাপ্তাহিক হাট-বাজার, প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিবহন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত যানবাহনের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। জরুরি পণ্যের দোকান, কৃষিপণ্য ও যন্ত্রাংশের দোকান সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক দিন-রাত খোলা থাকবে। প্রয়োজন ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক কাঁচাবাজার পণ্যসামগ্রী সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরেুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রালয় কর্তৃক জনস্বার্থে জারি করা নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, এর আগে গণবিজ্ঞপ্তিতে যে সকল নির্দেশনা দেওয়া ছিল সেটি মূলত লকডাউনের মধ্যেই পড়ে। জনআতঙ্ক এড়ানোর জন্য আমরা সেদিন লকডাউন শব্দটি ব্যবহার করিনি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে লকডাউন শব্দটি ব্যবহার করে ওই আদেশ কার্যকরে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলার জনগণকে নিরাপদে রাখার উদ্দেশে ওই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি জনগণের ঘরে থাকা নিশ্চিৎ করতে আমরা আরো কঠোর হয়ে কাজ করছি।
উল্লেখ্য, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় চার করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক, ৯ এপ্রিল সৈয়দপুর উপজেলায় একজন
নীলফামারী জেলা লকডাউন পুরোদমে 2020-04-15