Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / পহেলা বৈশাখে ৮ বিভাগের ১১ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে ৮ বিভাগের ১১ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

তিনি জানান, এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে একটি কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুরুর এই পর্যায়ে মোট ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক, মৎস্যচাষি ও আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধখামারি, পাশাপাশি ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড়—সব ধরনের কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। লবণচাষিরাও এই কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্লকে এই প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপঁচা ব্লক, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার একটি ব্লক উল্লেখ করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে এই প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ের কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এই উদ্যোগকে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে কৃষকদের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রথম ধাপের পর পাইলটিং পর্যায় এবং পরবর্তীতে সারাদেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানানো হয়। প্রায় ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষক এই ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই ‘কৃষক কার্ড’ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি বছরে একবার নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সহায়তা (প্রায় ২,৫০০ টাকা) দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারাদেশে এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

x

Check Also

দীর্ঘ ২৫ বছরেও শেষ হয়নি রমনা বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলা মামলার বিচার

বিশেষ প্রতিবেদন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে যখন সারাদেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে, তখনও অনেকের মনে ফিরে ...