Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / পাসপোর্ট আটকে মুসাসহ ৩ অভিযাত্রীকে গৃহবন্দি

পাসপোর্ট আটকে মুসাসহ ৩ অভিযাত্রীকে গৃহবন্দি

এমএনএ রিপোর্ট : দুর্গম পাহাড় থেকে উদ্ধার পেলেও মুসা ইব্রাহীম উদ্ধার পাননি হেলিকপ্টার কোম্পানি এশিয়াওয়ানের কাছ থেকে। এশিয়াওয়ানের দাবি অনুযায়ী ১১ হাজার ডলার পরিশোধ না করায় পাসপোর্ট নিয়ে তাদের গৃহবন্দি করা রাখা হয়েছে বলে ফেসবুক দেয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন মুসা ইব্রাহীম।

ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পুঞ্চাক জায়া থেকে ছয় দিন আটকে থাকার পর উদ্ধার পেলেও হেলিকপ্টারের ভাড়া নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম ও তার দুই সঙ্গী।

গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৫টায় মুসা ও তার দুই সঙ্গী ভারতীয় অভিযাত্রী নন্দিতা চন্দ্রশেখর ও সত্যরূপ সিদ্ধান্তকে হেলিকপ্টারযোগে উদ্ধার করে ইন্দোনেশিয়ার তিমিকায় নিয়ে আসা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গত পাঁচ দিন তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ২৫০ মিটার উঁচুতে পুঞ্চাক জায়ার বেস ক্যাম্পে আটকে ছিলেন।

মুসা তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, তাদের উদ্ধারের জন্য তিন দফায় হেলিকপ্টার ওড়াতে হয়েছে এশিয়াওয়ানকে। সেজন্য তারা তিমিকা থেকে বেস ক্যাম্প পর্যন্ত তিনবার ওড়ার খরচ ১১ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করেছে।

এশিয়াওয়ানের এ দাবির বিপরীতে নিজের যুক্তি দিয়ে মুসা ইব্রাহীম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল রবিবার তারা নিজেরাই দেরি করে সকাল ১০টায় বেস ক্যাম্পের দিকে গিয়েছিল, ততোক্ষণে আবহাওয়া খারাপ হয়ে গিয়ে হেলিকপ্টার ফিরে এসেছে তিমিকায়, যা কি-না পুরোটাই হেলিকপ্টার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। কারণ আমরা সকাল ৬টা থেকে প্রস্তুত ছিলাম। আজ সোমবার তারা সকালে আমাদের বেস ক্যাম্পের পাশের একটা জায়গা থেকে প্রথমবার গিয়ে ফিরে আসে। আমরা দেখতে পেয়েছিলাম হেলিকপ্টার, কিন্তু তারা প্রথমবার উদ্ধার না করেই ফিরে আসে। দ্বিতীয়বার আমরা পতাকা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম যেন হেলিকপ্টার দেখামাত্র তা উড়িয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি এবং তা করেছি। এখন হেলিকপ্টার কোম্পানির কথা হল, তাদেরকে পুরো তিনবারের টাকা দিতে হবে।’

মুসা আরও লিখেছেন, তারা তিনজন আট হাজার ডলার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছেন এবং ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে ইতোমধ্যে সাড়ে চার হাজার ডলার পরিশোধও করেছেন। কিন্তু তারপরও তাদের ‘গৃহবন্দি করে রেখেছে’ এশিয়াওয়ান।

ভারতীয় অভিযাত্রী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ ব্যাপারে লিখেছেন, ‘হেলিকপ্টার কোম্পানির সঙ্গে তাদের ছয় হাজার ৫০০ ডলারের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু যেহেতু তিনবার যেতে হয়েছে, সেহেতু তারা আট হাজার ডলার দিতেও রাজি। আসলে এই মুহূর্তে এর বেশি তারা দিতে পারবেন না।’

মুসা ইব্রাহীমের ফেসবুক পোস্টে দেয়া এশিয়াওয়ানের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জ্যাকব বাংলাদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই তিনজনকে উদ্ধার করতে তাদের তিনবার যেতে হয়েছে। অতএব তিনবার ওড়ার টাকাই দিতে হবে।

পুরো টাকা পেলে তবেই তাদের ছাড়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন জ্যাকব।

x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...