Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / প্রধান বিচারপতি ভীত হয়ে কথা বন্ধ করেছেন : দুদু

প্রধান বিচারপতি ভীত হয়ে কথা বন্ধ করেছেন : দুদু

এমএনএ রিপোর্ট : প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে কথা বলা বন্ধ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
আজ রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ‘ঘুরে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন,যে দেশে নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রধান বিচারপতিকে বিশ্রামে থাকতে হবে, সে দেশে আর কি থাকল। প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে বিরোধী দল, প্রশাসন ও সুশীল সমাজ বলছে, কিন্তু প্রধান বিচারপতি নিজে কিছু বলছেন না। হঠাৎ করে যেন নিরব হয়ে গেছেন। দেশের প্রতিটি পরিবার প্রধান বিচারপতির মত ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এজন্য সমস্ত কথা বন্ধ করেছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতউল্লাহ প্রমুখ।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে করে দেশের কেউ এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। দেশে এমন একটি পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যে পরিবার প্রধান বিচারপতির মতো ভীত সন্ত্রস্ত নয়।
রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ইস্যুতে সরকার যে সফলতার কথা বলছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। শেখ হাসিনা যখন জাতিসংঘে বক্তব্যে রেখেছেন তখনও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের প্রবেশ করেছে। সুতরাং এই ইস্যুতেই বুঝা যায়, বর্তমান সরকারের সাথে ভারত, চীন ও রাশিয়া কোন স¤ক্সর্ক নেই। শেখ হাসিনার ব্যর্থতার কারণেই অন্য একটি দেশের নাগরিকরা আমাদের দেশে ঢুকেছে বলে অভিযোগ করেন।
শেখ হাসিনা ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিলেন উল্লেখ করে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, এখন চালের দাম ৭০ টাকা কেজি। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবেন। কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত না করে নির্বাসিত করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে বর্তমান সরকারকে সরাতে হবে। গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করে লড়বো।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, যদি ভালো কাজের কোনো লক্ষণ থাকে তাহলে আলোচনায় বসুন, স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য স্বাভাবিক একটি নির্বাচন দেন। দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেন, মানুষের খাবার ফিরিয়ে দেন, ব্যাংকের যত টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে সেগুলো ফিরিয়ে আনুন। তখন আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা দিতে হবে না, দেশের জনগণ আপনাকে সংবর্ধনা দেবে।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...