এমএনএ রিপোর্ট : করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে আজ সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ওষুধের দোকান ছাড়া রাজধানীর সব দোকান, সুপারশপ, কাঁচাবাজার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সুপারশপ ও স্বীকৃত কাঁচাবাজারগুলো ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানগুলো খোলা থাকবে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। তবে সন্ধ্যার পর শুধু ওষুধের দোকান বা ফার্মেসিসহ জরুরি সার্ভিসগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার পুলিশ কমিশনার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য কেউ কোনো দোকান খোলা রাখলে তাকে আমরা জনস্বার্থে বন্ধ করতে বাধ্য করব।’
সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা খাতগুলো চালু থাকবে। বর্তমান করেনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে’।
‘সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে, না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়।’
দোকান, সুপারশপ, কাঁচাবাজার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখার বিষয়ে ইতিমধ্যে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।
এদিকে আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানীর সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি তৌফিক এহসান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখা হবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকার পরবর্তীতে নতুন কোনো নির্দেশনা দিলে ওই নির্দেশনাও কার্যকর হবে।
এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মহানগরের বিত্তবান ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ এলাকায় অসহায়-দুস্থদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবাইকে ঘর থেকে বের না হওয়ার অনুরোধ করেন তৌফিক এহসান।
তিনি বলেন, সুপারশপ ও স্বীকৃত কাঁচাবাজারগুলো ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানগুলো খোলা থাকবে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। তবে ওষুধের দোকানসহ জরুরি সার্ভিসগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে সব ইউনিটকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশ কমিশনার কর্তৃক নির্দেশনা পাওয়ার পর এর মধ্যে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা সুপারশপগুলোতে গিয়ে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন।