Don't Miss
Home / পরিবেশ ও জলবায়ু / বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: অর্থমন্ত্রী
বিনিয়োগবান্ধব

বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: অর্থমন্ত্রী

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ নরওয়েকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে বাংলাদেশে।

বৃহস্পতিবার উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সাথে অনলাইনে মাধ্যমে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেন। ওই সভায় তিনি এ কথা বলেছেন।

অর্থমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সভায় তারা বাণিজ্য-বিনিয়োগ, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, সহজে ব্যবসা করা, আর্থিক খাতে গৃহিত পদক্ষেপ, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, শিক্ষা-সংস্কৃতি, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

স্বাধীনতার পর থেকে নরওয়ে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। নরওয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। নরওয়ে বাংলাদেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী পরিবেশ, সুশাসন, জেন্ডার ও মানবাধিকার, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং বেসরকারী খাতের উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে।

১৯৭১ হতে ২০১৮ সাল পর্ন্ত নরওয়ে বাংলাদেশকে খাদ্যে ৮ দশমিক ১৮৮ মিলিয়ন, পণ্যে ১৮২ দশমিক ৯১৪ মিলিয়ন এবং প্রকল্পে ৫৮২ দশমিক ৪৩৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের আলোচনায় এ বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিক হারে মুনাফার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ হচ্ছে একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। এখানে বিনিয়োগ করে কারোই কখন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে অভিষ্ট লক্ষ্যে। আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং এসডিজির লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে বিদেশি ঋণ এবং বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রেক্ষিতে, সম্ভাব্য উন্নয়নের অংশীদার হিসাবে নরওয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী, জাহাজ তৈরি ও মেরামত কারখানা, পানি সম্পদ ও নদী ড্রেজিং, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন এবং যোগাযোগের মত গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারে।

বাংলাদেশ দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রদূত দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়নে সর্বাত্মক প্রয়াস চালাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নরওয়ে রাষ্ট্রদুত বলেন, ১০ বছর আগে আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। কিন্তু সেই বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশ এক নয়। বাংলাদেশ অনেক অগ্রগতি সাধন করেছে। দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়নসহ অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে নরওয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বহুবিধ সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুদেশের পারস্পারিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

x

Check Also

আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, খরচ কমানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

এমএনএ প্রতিবেদক আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং হজের খরচ আরও কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন ...