Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / বামদলগুলোর ডাকা হরতালে বিএনপির সমর্থন

বামদলগুলোর ডাকা হরতালে বিএনপির সমর্থন

এমএনএ রিপোর্ট : এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে বামদলগুলোর ডাকা আগামীকালের হরতালে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে বিএনপি।
সিপিবি, বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আগামীকাল বৃহস্পতিবারের সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারা দেশে এই হরতালের কর্মূসচি দিয়েছে।
হরতালের আগেরদিন আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে হরতালে সমর্থনের ঘোষণা দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। প্রতি সপ্তাহে আদালতে হাজিরার নামে খালেদা জিয়াকে হয়রানি করার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম নামের একটি সংগঠন।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছে, যা কার্যকর হবে আগামী ডিসেম্বর থেকে। গত ২৩ নভেম্বর বিইআরসির ওই ঘোষণার পরপরই হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে বাম দলগুলো। তাদের ভাষায়, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ওই সিদ্ধান্ত গণবিরোধী।
মানববন্ধনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা মনে করি, জনস্বার্থে এই হরতাল অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। আগামীকাল বাম দলগুলো যে হরতাল ডেকেছে, আমি বিএনপির পক্ষ থেকে সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত হরতালকে পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, জনগণের প্রতিরোধে আপনার সব অত্যাচার, নির্যাতন-নিপীড়ন মাটি চাপা দিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পতাকা উড়বেই। এখন তো ক্ষমতার ঝাড়বাতি কার্পেট দেখছেন কিন্তু আপনার আশপাশে রয়েছে আর্তনাদ। কারণ আপনি যে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা জনগণের কারাগারে বন্দি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বিরোধী দল ও মত চান না। তাই খালেদা জিয়া যাতে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান সে জন্য সরকার তাকে আদালতে হাজিরার নামে মানসিকভাবে পর্যুদস্ত করছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শিকড় মাটিতে নয়, তাদের শিকড় পানিতে। কারণ আওয়ামী লীগ গণবিরোধী, মানবতা ও মানব বিরোধী। এরা যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন দমনের মধ্যে দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকার কায়েম করবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে রুহুল কবির বলেন, আপনি যদি রকিবুলের পথ অনুসরণ করেন, তাহলে ইতিহাসে হয়তো নাম থাকবে, তবে তা হবে কলুষিত। জনগণের আওয়াজ শুনে তা বোঝার চেষ্টা করেন। অন্যথায় ধরা খেয়ে যাবেন। যদি বাধ্য করেন তাহলে সরকারের বন্দুক-বুলেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে হলেও গণতন্ত্র ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সারোয়ার, হাবিবুল ইসলাম, এবিএম মোশাররফ হোসেন, শ্যামা ওবায়য়েদ, আব্দুস সালাম, নিপুন রায় প্রমুখ।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...