Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / বিধ্বস্ত বিমানের চিকিৎসাধীন যাত্রীরা যে যেখানে আছেন
নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার প্লেন দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ডা. রেজওয়ানুল হক শাওন, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও মেহেদী হাসান।

বিধ্বস্ত বিমানের চিকিৎসাধীন যাত্রীরা যে যেখানে আছেন

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস২১ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় বেঁচে গিয়ে চিকিৎসাধীন ১০ বাংলাদেশির সবশেষ অবস্থা জানিয়েছে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস।
আজ বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাত্রী শাহরিন আহমেদ কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ (কেএমসি) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ৪৭৫ নম্বর বেডে; মো. শাহীন ব্যাপারী ৪৭৭ নম্বর বেডে; মেহেদী হাসান একই হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ৪০৮ নম্বর বেডে; আলমুন নাহার অ্যানি ৪০৭ নম্বর বেডে; সৈয়দ কামরুন্নাহার স্বর্ণা ৪০১ নম্বর বেডে; ইমরানা কবির হাসি একই হাসপাতালের আইসিইউ’র ৫০২ নম্বর বেডে; মো. কবির হোসেইন আইসিইউ’র ৫০১ নম্বর বেডে এবং শেখ রাশেদ রুবাইয়্যাত আইসিইউ’র ৫০৩ নম্বর বেডে রয়েছেন।
এছাড়া নরভিক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন ইয়াকুব আলী। ওএম হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা ডা. রেজওয়ানুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিয়ে গেছেন তার বাবা মোজাম্মেল হক। এনওসি পেয়েছেন শাহরিন, ইয়াকুব, মেহেদী, কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও অ্যানি।
এদের মধ্যে শাহ‌রিন আহমেদকে আজ বৃহস্প‌তিবার বি‌কে‌লে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক‌টি ফ্লাই‌টে নি‌য়ে দেশে আনা হচ্ছে। এরপর তা‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কে‌ল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউ‌নি‌টে ভ‌র্তি করা হ‌বে। এছাড়া ইয়াকুবকে ভারতে নিয়ে যাবেন তার ভাই দীপু ব্যাপারী। এছাড়া, হাসিকেও ভারতে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আজ দুপুর সা‌ড়ে ১২টায় রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে এক বি‌ফ্রিং‌য়ে কোম্পানির জিএম (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম একথা জানান।
সবকিছু ঠিক থাক‌লে বি‌কে‌লের ম‌ধ্যেই শাহরিন বাংলা‌দে‌শে পৌঁছাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০০৭২ ফ্লাইটে বিকেল ৩টার পর ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন শাহরিন। পরে সেখান থেকে সরাসরি তাকে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হবে।
তি‌নি আরও জানান, গতরা‌তে আহত আ‌রেকজন ডা. রিজওয়ানুল হককে সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হয়েছে। উনার সঙ্গে দু’জন আত্মীয়‌কেও হো‌টে‌লে থাকারও ব্যবস্থা করে দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে চি‌কিৎসাও শুরু হ‌য়ে গে‌ছে।
কামরুল ব‌লেন, আহত সবার চি‌কিৎসার ব্যয় ভার ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ বহন কর‌ছে। মে‌ডি‌কেল টিমও কাজ কর‌ছে।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বাংলানিউজকে বলেন, আমরা জেনেছি কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি অ্যান্ড বার্ন ইউনিট-৩ এ চিকিৎসাধীন শাহরিনকে দেশে ফেরার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তার পা ভেঙে গেছে এবং শরীরের ৮ থেকে ১০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
‘বার্ন ইউনিটে তার চিকিৎসার জন্যে আমরা এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু হবে।’
গত ১২ মার্চ (সোমবার) কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস২১১ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হন দেশি-বিদেশি ৫১ জন। এতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ২২ জন।
চিকিৎসাধীন যাত্রীদের মধ্যে ১৪ মার্চ হাসপাতাল ছাড়েন ৩ জন। তবে এখনও ১৯ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি। রেজওয়ানুলকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত নেপালে রয়েছেন ৯ বাংলাদেশি।
x

Check Also

মন্ত্রীদের বিদেশ সফর ও অভ্যন্তরীণ চলাচলে নতুন প্রটোকল জারি

এমএনএ প্রতিবেদক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কাজে বিদেশ গমন, দেশে প্রত্যাবর্তন এবং ...