বিশ্বের সর্বাধুনিক অস্ত্র নির্মাণে সক্ষম চীন : পেন্টাগন
Posted by: News Desk
January 16, 2019
এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : বিশ্বের সর্বাধুনিক অস্ত্রব্যবস্থা নির্মাণে সক্ষম হয়েছে চীন। কোনো কোনোটায় দেশটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে দিয়েছে।
চীনের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের নতুন প্রতিবেদনে এমন তথ্যই দেয়া হয়েছে।
চীনের শক্তি বৃদ্ধিতে মার্কিন উদ্বেগ বেড়েছে। এতে তাইওয়ানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে দুশ্চিন্তার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- চীন তার সামরিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি উন্নততর করছে। একটি আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চীন অনেক আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে বেইজিংয়ের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, তাইওয়ান প্রসঙ্গে চীনের সার্বভৌমত্বকে তারা এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তাইওয়ান যদি স্বাধীনতা ঘোষণা করতে যায়, তবে সামরিক শক্তি প্রয়োগেও দ্বিধা করবে না চীন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক সামরিক অগ্রগতি হয়েছে বেইজিংয়ের। তারা সব ধরনের প্রযুক্তি অর্জন করেছে। রণতীর, মাঝারি ও মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি হাইপারসনিক অস্ত্রও রয়েছে।
চীনের হাইপারসনিক অস্ত্র শব্দের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গতির এবং সহজেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারবে।
কোনো ক্ষেত্রে চীন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারবে বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন।
চীনের সামরিক সক্ষমতা বাড়ার অর্থ হলো- দেশটি আকাশ, সমুদ্র, মহাকাশ ও সাইবার জগতে নিজের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এতে করে এ অঞ্চলে চীন নিজের ইচ্ছাকে চাপিয়ে দিতে পারবে।
কংগ্রেসের কাছে দেয়া এই রিপোর্টে পেন্টাগন বলছে, চীন তাদের বোমারু বিমানগুলোকে যেন আরও দূরে পাঠানো যায় সেই সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।
চীন যে তাদের সামরিক ব্যয় এবং সামরিক সক্ষমতা ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছে, পেন্টাগনের এই রিপোর্টে তা তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে চীনের বার্ষিক সামরিক ব্যয় ১৯০ বিলিয়ন ডলারের মতো। তবে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয়ের এক তৃতীয়াংশ।
চীন বিশ্বের অস্ত্র পেন্টাগন সর্বাধুনিক নির্মাণে সক্ষম 2019-01-16