Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ এখন এক বছর

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ এখন এক বছর

এমএনএ রিপোর্ট : ভারত ভ্রমণে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিরা এখন এক বছরের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা পাচ্ছেন। ভারতীয় হাইকমিশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা আজ রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আগে এই ক্যাটাগরিতে সাধারণত ছয় মাস বা আরও কম সময়ের জন্য ভিসা দেওয়া হতো।

ভারতীয় হাইকমিশনের ওই কর্মকর্তা বলেন, ঢাকায় হয়ে যাওয়া ভিসা ক্যাম্পে আবেদনকারীদের মধ্যে যাঁরা ভিসা পেয়েছেন, তাঁদের এক বছরের জন্য ভ্রমণ ভিসা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এক বছর মেয়াদের ভ্রমণ চালু রাখছে হাইকমিশন।

Indian-Visaওই কর্মকর্তা মনে করেন, ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ এক বছর করার কারণে বাংলাদেশের মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমবে। ভিসার জন্য হাইকমিশনের ওপর চাপও খানিকটা লাঘব হবে।

তিনি বলেন, আগে যে লোকটি বছরের শুরুতে ও মাঝে ভারতে ভ্রমণ করতেন তাকে দুবার ভিসার জন্য হাইকমিশনে আসতে হতো। এখন সেটা কমে একবার হবে। এতে ভিসাপ্রত্যাশীদের চাপ সাধারণভাবেই কমে আসবে।

ভারতীয় হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিদের জন্য প্রতিবছর ১০ লাখেরও বেশি ভিসা দেয় ভারত। কিন্তু চাহিদা থাকে আরও অনেক বেশি। এ সুযোগে ভারতের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ই-টোকেন বাণিজ্য করে। ভোগান্তিতে পড়েন ভিসাপ্রত্যাশীরা।

ভোগান্তি লাঘবের অংশ হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশন ৪-১৬ জুন ঢাকায় ট্যুরিস্ট ভিসা ক্যাম্প চালায়। এই ক্যাম্প চলাকালে ভিসাপ্রত্যাশীরা কোনো ধরনের ই-টোকেন ছাড়াই ভিসার জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে পেরেছেন। এখানেও আবেদনকারীদের এক বছরের ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হয়েছে।

Indian-Visa-2ভিসা ক্যাম্প চলাকালে আবেদনপত্র জমা দিয়ে ট্যুরিস্ট ভিসা পেয়েছেন—এমন কয়েকজন জানিয়েছেন, তাঁরা এক বছরের জন্য দেশটিতে একাধিকবার যাওয়ার জন্য ভিসা পেয়েছেন (মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা)।

ভারতের ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনকারীরা সাক্ষাতের জন্য যে সাংকেতিক নম্বর পান, সেটিকে ই-টোকেন বলা হয়। অনলাইন আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ই-টোকেন পাওয়া কঠিন হয়ে যায় বলে আবেদনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন।

ভারতীয় হাইকমিশনেও ই-টোকেন সমস্যার বিষয়ে হাজারো অভিযোগ জমা পড়ে। ই-টোকেন সংগ্রহ নিয়ে বাংলাদেশিদের ভোগান্তির বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এলে সমস্যাটি সমাধানে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হয়। ঢাকায় আয়োজন করে ট্যুরিস্টদের জন্য ভিসা ক্যাম্প। এমন আরও কয়েকটি ভিসা ক্যাম্প চালানোর কথা জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ভারতীয় হাইকমিশন ই-টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত দালালদের তালিকাসহ একটি চিঠি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে অনুরোধ করেছে, যারা ই-টোকেন বাণিজ্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

x

Check Also

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত চালুতে সরকারের জোর তৎপরতা: উপদেষ্টা মাহদী

এমএনএ প্রতিবেদক মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ...