এমএনএ সংবাদ ডেস্ক : আগামী ২৭ মার্চ ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে দেশে ফিরে রোববার সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৫ অথবা ২৬ মার্চ ঢাকায় আসতে পারেন। তবে এপ্রিলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন থাকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ঢাকায় আসার কোন সম্ভাবনা নেই।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ২৬ শে মার্চ যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসেন, সকালের দিকে আসলেন বা দুপুরের দিকে আসলেন, সেক্ষেত্রে বিকেল থেকে আমাদের মূল অনুষ্ঠানটা হবে। সেখানে অংশগ্রহণ করে রাতে হয়তো অফিসিয়াল ব্যাংকুয়েট বা যা করার করব। সেক্ষেত্রে পরদিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বা উনি যদি ঢাকার বাইরে যেতে চান, আমরা যদি শিডিউল করতে পারি। এরপর তিনি ফিরে যাবেন।
ঢাকার বাইরে জাতির পিতার সমাধিস্থল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার বিষয়টি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে বলেও জানান মাসুদ বিন মোমেন।
তিনি জানান, দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে দুদেশের স্বরাষ্ট্র, পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও নৌপরিবহন সচিবদের বৈঠক হবে। এর মধ্যে পানিসম্পদ সচিবদের বৈঠক দিল্লিতে, বাকি তিনটি ঢাকায় হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, দু-দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে তিস্তা চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরা হলে আবারো আশ্বস্ত করে ভারত। এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন, তাই মোদির এ সফরে তিস্তা নিয়ে আশা দেখছেন না মাসুদ বিন মোমেন।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আবারো ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা। তাদের মিয়ানমারে ফেরার পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ভারত ও জাপান।
সচিব আরো জানান, করোনা মহামারিতে দুদেশের মধ্যে বিশেষ বিমান চলাচলের সুবিধা এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিগগিরই পর্যটন ভিসা চালু হবে বলেও জানিয়েছে দিল্লি।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

