Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / শর্ত সাপেক্ষে সিটিসেল সচলে আদালতের নির্দেশ

শর্ত সাপেক্ষে সিটিসেল সচলে আদালতের নির্দেশ

এমএনএ রিপোর্ট : বেসরকারি মুঠোফোন অপারেটর সিটিসেলের বন্ধ তরঙ্গ ও নেটওয়ার্ক কার্যক্রম শর্ত সাপেক্ষে অবিলম্বে সচলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের আপিল বিভাগ।

আর আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে সিটিসেলকে বিটিআরসির অনুকূলে ১০০ কোটি টাকা জমা করতে বলা হয়েছে। এতে তারা ব্যর্থ হলে তাদের তরঙ্গ ফের বন্ধ করা যাবে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

citycell-logoসিটিসেলের বকেয়ার অঙ্ক নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ৩০ দিনের মধ্যে এই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় গত ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল ও কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি।

বিটিআরসির সিদ্ধান্ত স্থগিত বা পুনরায় তরঙ্গ বরাদ্দের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৪ অক্টোবর আবেদন করে সিটিসেল। বিষয়টি ৩১ অক্টোবর শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি। শুনানি নিয়ে আজ আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আদালতে সিটিসেলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন এ এম আমিনুদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান খান।

বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, শেখ ফজলে নূর তাপস ও খন্দকার রেজা-ই রাব্বি।

পরে সিটিসেলের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান বলেন, সিটিসেল যাতে আজই তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারে, সে জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিটিআরসি ইতিমধ্যে যে তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল করেছে, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে সিটিসেল সচলে আইনগত কোনো বাধা নেই।

বিটিআরসি’র দাবি, সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

citycellযদিও এই পাওনা নিয়ে পরস্পর বিরোধী দাবি রয়েছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আপিল বিভাগ ছয় সপ্তাহের মধ্যে পাওনা টাকার তিন ভাগের দুই ভাগ এবং বাকি টাকা দুই মাসের মধ্যে জমা দেয়ার জন্য সিটিসেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল।

সিটিসেল বকেয়া টাকার মধ্যে ১৩০ কোটি বিটিআরসিকে এবং ১৪ কোটি টাকা এনবিআরের খাতে জমা করে বলে দাবি করে।

কিন্তু, বিটিআরসি’র দাবি, প্রথম কিস্তির টাকার অংক ৩১৮ কোটি টাকা।

এরই মধ্যে গত ২০ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বিটিআরসির পাওনা না দেয়ায় সিটিসেলের তরঙ্গ স্থগিত করা হয়েছে।

১৯৮৯ সালে বিটিআরসি থেকে টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স পায় সিটিসেল বা প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড। বর্তমানে এই কোম্পানির ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক বিএনপি নেতা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান মালিকানাধীন প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড।

সিটিসেলের সবচেয়ে বেশি ৪৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিংটেল এশিয়া প্যাসেফিক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের হাতে। এছাড়া ফার ইস্ট টেলিকম লিমিটেড ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

ট্যাগ : শর্ত সাপেক্ষে, সিটিসেল, সচলে, আদালতের, নির্দেশ
x

Check Also

হজযাত্রীদের সেবায় গাফিলতি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সৌদিতে মেডিকেল টিমকে ধর্মমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক সৌদি আরবে হজ কার্যক্রম মনিটরিংয়ের প্রথম দিন ব্যস্ত সময় পার করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী ...