Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানই নতুন আইজিপির চ্যালেঞ্জ

শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানই নতুন আইজিপির চ্যালেঞ্জ

এমএনএ রিপোর্ট : নির্বাচনের বছরে নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানই নতুন আইজিপির চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বিদায়ী আইজিপি একেএম শহীদুল হক বলেন, আশা করি জাভেদ পাটোয়ারী এটা সফলভাবেই করতে পারবেন।
যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে থানাগুলোতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনারও আহ্বান জানান বিদায়ী আইজিপি।
আজ বুধবার পুলিশ সদর দফতর মাঠে নতুন আইজিপির যোগদান এবং বিদায়ী আইজিপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন,পুলিশকে নির্বাচনের বছরটিতে ধৈর্য ধরে দায়িত্বপালন করতে হবে। অনেক ষড়যন্ত্র হবে, অনেক নাটক হতে পারে, এগুলোকে মোকাবেলা করে নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখাই হবে পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগা মাঠ ও হাইকোর্টের সামনে যে ঘটনা ঘটেছে; সে ধরনের ঘটনা সামনে আরও ঘটবে। পুলিশকে ধৈর্য ধরে পেশাদারত্বের সঙ্গে এগুলো মোকাবেলা করতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদায়ী আইজিপি বলেন, আজ আমি পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। আইজি হিসেবে যোগদানের আগে অনেক স্বপ্ন ছিল। বেশির ভাগ পূরণ হয়েছে। থানা লেভেলে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলাম। তা পারিনি। তবে থানার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। বিপথগ্রস্ত মানুষ যে থানাকে নিজের শেষ ভরসা মনে করে, থানায় যেতে যেন কেউ ভয় না পায়, থানা থেকে সবাই যেন হাসিমুখে বের হয়ে আসতে পারে সে পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
এ সময় পুলিশের নবনিযুক্ত আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, পুলিশ বাহিনীর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সততা এবং দেশপ্রেমের দৃঢ় সমন্বয় ঘটাতে চাই। পাশাপাশি বাহিনীর কাজের গতি বাড়াতে চাই। এই দুটি কাজ সফলভাবে করতে পারলে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ এবং ২০৪১ সহজেই স্পর্শ করা যাবে। আর এতে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ আবাসস্থল।
ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী বলেন, ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় নূর মোহাম্মদ যখন আইজিপি ছিলেন তখন থেকেই পুলিশে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় হাসান মাহমুদ খন্দকার এবং একেএম শহীদুল হক ইতিবাচক পরিবর্তনগুলোকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
তিনিও ভালো কাজগুলোকে এগিয়ে নেবেন উল্লেখ করে বলেন, ২০১৩ ও ১৪ সালে দেশে অনেকটা যুদ্ধের পরিবেশ বিরাজ করছিল। পুলিশ সফলভাবে ওই পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের সফলতায় সারা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রয়। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া ভালো কিছু করা সম্ভব নয় বলেও জাভেদ পাটোয়ারী জানান।
অতিরিক্ত আইজিপি মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে র‌্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা সবাই বিদায়ী আইজিপির নানা কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নকাজের প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, আজ বুধবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত বিদায়ী আইজিপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ অনুষ্ঠান শেষেই বিদায়ী আইজিপি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর নতুন আইজিপি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিদায়ী আইজিপি পুলিশ সদর দপ্তর ত্যাগ করেন। তার গাড়িটি ছিল ফুলে ফুলে সজ্জিত। ওই গাড়িটি দুটি রঙিন রশি দিয়ে টেনে সদর দপ্তর থেকে বের করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় আইজিপি গাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। তখন তার চোখে পানি ছলছল করছিল। বিদায়ী আইজিপির গাড়ির সামনে ও পেছনে ছিল দুটি ঘোড়া, চারটি মোটরসাইকেলসহ গাড়ির বহর।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...