এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্কঃ রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম আরও কমেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ বাড়ায় টানা তিন সপ্তাহ ধরে সবজির দাম কমা অব্যাহত রয়েছে। তবে সপ্তাহ না ঘুরতেই দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কুয়াশার কারণে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেছে। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ আগের মতো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে চীন ও মায়ানমারের আমদানি করা বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।
শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মূলা ও শালগমের সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কমে এসেছে। প্রায় এক মাস ধরে বেশিরভাগ সবজি ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ২০ টাকা দরেও বেশ কিছু সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে পাকা টমেটো ও বরবটির দাম এখনও বেশ চড়া।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরনো আলুর কেজি ৪০ টাকা। মাসখানেক আগে নতুন আলু একশ’ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। তবে এখন নতুন আলুর কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
মানিক নগর এলাকার ব্যবসায়ী মো. জায়িদুল ইসলাম বলেন, ‘সরবরাহ কমে যাওয়ায় নতুন আলুর দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। দেশি পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা।’
আলুর দাম কমলেও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের দাম বাড়া প্রসঙ্গে কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী সফিক এহসান বলেন, ‘কুয়াশার কারণে ফেরিঘাটে ট্রাক মাল নিয়ে আটকে থাকছে। এ কারণে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কিছুটা কমেছে। ফলে দাম বেড়েছে।’
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতো শিম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। দুই মাস আগে এই শিম ১২০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। মূলা ১০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে লাউ। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। বেগুনের কেজি ৩০ টাকা, উস্তের কেজি ৪০ টাকা, ধেঁড়স ৪০ টাকা এবং পটল ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তবে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো ও বরবটি। পাকা টমেটো গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। আর বরবটি গত সপ্তাহের মতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

