Don't Miss
Home / জাতীয় / সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

এমএনএ প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফল প্রকাশসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো পর্যায়ে ভুল-ভ্রান্তি, ত্রুটি-বিচ্যুতি বা মুদ্রণজনিত ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা প্রয়োজনে ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

নির্বাচিত কোনো প্রার্থী ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেছেন—এমনটি প্রমাণিত হলে তার নির্বাচন বা ফলাফল বাতিল করা হবে।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্যগত সনদে কোনো প্রার্থীকে শারীরিকভাবে অযোগ্য উল্লেখ করা হলে তাকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

এ ছাড়া নির্বাচিত প্রার্থীদের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে পরিচিতি যাচাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য সশরীরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হতে হবে। এ সময় প্রার্থীদের সব মূল সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, তিন কপি যথাযথভাবে পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, স্বাস্থ্যগত সনদ, ডোপ টেস্ট রিপোর্ট এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা সংক্রান্ত সনদ উপস্থাপন করতে হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টে কোনো প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ অসন্তোষজনক পাওয়া গেলে কিংবা নাশকতা, সন্ত্রাসী, জঙ্গি বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে তাকে চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচনা করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যগত সনদ দাখিল, সকল মূল সনদসহ উপস্থিত হওয়া বা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম জমা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে পরবর্তী সময়ে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) ১ হাজার ৪০৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি, যার মধ্যে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন।

এরপর ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।

নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

x

Check Also

দীর্ঘ ২৫ বছরেও শেষ হয়নি রমনা বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলা মামলার বিচার

বিশেষ প্রতিবেদন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে যখন সারাদেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে, তখনও অনেকের মনে ফিরে ...