এমএনএ প্রতিবেদক
বুধবার ছিল তারেক রহমান–এর নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম কর্মদিবস। দিনটি ঘিরে রাজধানী ঢাকা ও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় জুড়ে ছিল উৎসবমুখর ও কর্মচঞ্চল পরিবেশ।
সকালে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রথমে জাতীয় স্মৃতিসৌধ–এ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ঢাকার শেরেবাংলানগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যান–এ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রীসহ অধিকাংশ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে যোগ দেন। সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও কুশল বিনিময় করেন। অনেক মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়। বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগ ও সংস্থার প্রধানরাও উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা জানান।
মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাঁদের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র, অর্থ ও পরিকল্পনা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমি, খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, ধর্ম ও আইন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ছিল কর্মব্যস্ততা।
নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম কর্মদিবসকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, কর্মকর্তা, নিরাপত্তা সদস্য ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে ভেতরে যানবাহন চলাচলে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়। পার্কিং এলাকাও ছিল সরগরম।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সচিবালয় বীটের সাংবাদিকরা নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের অনুভূতি ও অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভা কভার করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের দিনটি ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত।
নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শুভানুধ্যায়ীরা ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। এত বিপুল পরিমাণ ফুল সামাল দিতে কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হয়। সার্বিকভাবে, নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে ছিল উৎসবের আমেজের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতির দৃশ্যমান অঙ্গীকার।
বুধবার ছিল তারেক রহমান–এর নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম কর্মদিবস। দিনটি ঘিরে রাজধানী ঢাকা ও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় জুড়ে ছিল উৎসবমুখর ও কর্মচঞ্চল পরিবেশ।
সকালে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রথমে জাতীয় স্মৃতিসৌধ–এ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ঢাকার শেরেবাংলানগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যান–এ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রীসহ অধিকাংশ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে যোগ দেন। সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও কুশল বিনিময় করেন। অনেক মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়। বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগ ও সংস্থার প্রধানরাও উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা জানান।
মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাঁদের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র, অর্থ ও পরিকল্পনা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমি, খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, ধর্ম ও আইন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ছিল কর্মব্যস্ততা।
নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম কর্মদিবসকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, কর্মকর্তা, নিরাপত্তা সদস্য ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে ভেতরে যানবাহন চলাচলে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়। পার্কিং এলাকাও ছিল সরগরম।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সচিবালয় বীটের সাংবাদিকরা নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের অনুভূতি ও অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভা কভার করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের দিনটি ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত।
নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শুভানুধ্যায়ীরা ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। এত বিপুল পরিমাণ ফুল সামাল দিতে কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হয়। সার্বিকভাবে, নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে ছিল উৎসবের আমেজের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতির দৃশ্যমান অঙ্গীকার।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

