Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন মুশফিক

সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন মুশফিক

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও আজ অসাধারণ খেলেছেন মুশকিক। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার, ভালো খেলেও ১ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

এশিয়া কাপে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।

আজ বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও অসাধারণ খেলেছিলেন মুশকিক। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার, ভালো খেলেও ১ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সপ্তম সেঞ্চুরির ঠিক কাছে গিয়েও ব্যর্থ হন মুশফিকুর রহিম। একদিনের ক্রিকেটে ১৯১তম ম্যাচ খেলেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ১১৬ বলে ৯টি চারের সাহায্যে ৯৯ রান সংগ্রহ করেন মুশফিক।

ওয়ানেডতে ১৯১ ম্যাচে ৬টি সেঞ্চুরি এবং ৩০টি ফিফটিতে ৫ হাজার ১২৫ রান করেছেন দেশের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান। ওয়ানডে ক্রিকেটে দেশের হয়ে রান সংগ্রহের দিক থেকে মুশফিক তৃতীয়।

১৮৩ ম্যাচে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ৪২টি ফিফটির সাহায্যে ৬ হাজার ৩০৭ রান নিয়ে সবার ওপরে আছেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

আর ১৯২ ম্যাচে ৭টি সেঞ্চুরি এবং ৩৯টি ফিফটিতে ৫ হাজার ৪৮২ রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আঙুলে চিড় ধরায় খেলতে পারেননি। অন্যদিকে হাতে চোট পেয়ে দেশে ফিরে এসেছেন তামিম ইকবাল।

এশিয়া কাপে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৫তম ম্যাচে ৭১০ রান সংগ্রহ করেছেন মুশফিকুর রহিম। এই রান করার মধ্য দিয়ে শ্রীংকান কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাহেলা জয়াবর্ধনেকে ছাড়িয়ে গেলেন মুশফিক। শুধু মাহেলাই নয়, মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও ছাড়িয়ে গেছেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

এশিয়া কাপে ২৮ ম্যাচে মাহেলার সংগ্রহ ৬৭৪ রান। আর ২৩ ম্যাচে ধোনির সংগ্রহ ৬৫৪ রান।

এশিয়া কাপে ২৫ ম্যাচ খেলে ১২২০ রান নিয়ে সবার ওপরে আছেন শ্রীলংকান সাবেক কিংবদন্তি সনাথ জয়সুরিয়া। ২৪ ম্যাচে ১০৭৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন কুমার সাঙ্গাকারা। ২৩ ম্যাচে ৯৭১ রান নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন শচীন টেন্ডুলকার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল ম্যাচে মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল। সেই অবস্থা থেকে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক-মিঠুনরা ১৪৪ রানের জুটি গড়েন।

এর আগে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন তারা। সেদিন ষষ্ঠ উইকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন তারা।

ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটে নেমে শুরুতে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর মুশফিকমিঠুনের ব্যাটে দলের বিপর্যয়ে সামাল দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু মুশফিক ৯৯ রানের এক ইনিংস খেলে আউটহয়ে যায়। সর্বশেষ খবর পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভার শেষে ২৩৯ রান তুলে ১০ উইকেটই খুঁইয়েছে বাংলাদেশ।

শুরুতে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান বাজেভাবে উইকেট বিলিয়ে সাজঘরে ফেরেন। দলে ফেরা সৌম্য সরকার দলের ৫ রানের নিজের শূন্য রানে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ১২ রানে ফেরেন সাকিবের বদলে দলে আসা মুমিনুল। এছাড়া লিটন দাসও দলের ১২ রানের জুনায়েদ খানের শিকারে পরিণত হন।

এরপর ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুন। তাদের দু’জনের ব্যাটে শুরুর ধাক্কা সামলে দেয় বাংলাদেশ। দু’জনে গড়েন ১৪৪ রানের দুর্দান্ত জুটি। নিজের ৬০ রানে ক্যাচে দিয়ে আউট হন মিঠুন। তার আউটের পর ক্রিজে আসেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু তিনি এ ম্যাচে আর ভালো করতে পারেননি। আত্মবিশ্বাসী শুরু করলেও এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ৯ রানে। তবে মুশফিক দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান। নিজের ৯৫ রানে ৪ মেরে ৯৯ করেন। কিন্তু পরের শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটরক্ষক সরফরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ক্রিজে আছেন মাহমুদুল্লাহ এবং মেহেদি মিরাজ।

আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাট করা দলের জয়ের পাল্লা বেশি ভারি। কারণ আবুধাবীতে এশিয়া কাপের চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জিতেছে প্রথমে ব্যাট করা দল। অবশ্য রান তাড়া করে জয়ের একমাত্র রেকর্ডটা পাকিস্তানের।

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে। আঙুলের ইনজুরির কারণে দলে নেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন মুমিনুল হক। নাজমুল ইসলাম শান্তর জায়গায় দলে আছেন সৌম্য সরকার। এছাড়া সর্বশেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে অভিষেক হওয়া নাজমুল ইসলাম অপু নেই দলে। ফেরানো হয়েছে পেসার রুবেল হোসেনকে।

পাকিস্তান দলে জায়গা হারিয়েছেন বাঁ-হাতি পেসার মোহাম্মদ আমীর। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন আরেক বাঁ-হাতি পেসার জুদায়েদ খান।

বাংলাদেশ একাদশ : লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, ইমরুল কায়েস, মাহমুদুল্লাহ, মেহেদি মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।

পাকিস্তান একাদশ : ইমাম উল হক, ফখর জামান, বাবর আজম, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ, আসিফ আলী, শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী, জুনায়েদ খান, শাহিন আফ্রিদি।

x

Check Also

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত চালুতে সরকারের জোর তৎপরতা: উপদেষ্টা মাহদী

এমএনএ প্রতিবেদক মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ...