এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্কঃ হঠাৎ করেই ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার ঘোষণায় আগের এলসির পেঁয়াজ নিয়ে সীমান্তের ওপারে আটকে থাকা অনেক ট্রাকের পেঁয়াজে পচন ধরেছে।
শুক্রবার বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, সোমবার যখন পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা এল, তখন পেট্রাপোল বন্দরে পেঁয়াজ বোঝাই পাঁচটি ট্রাক আটকা পড়ে। এসব ট্রাকের গেটপাস থাকলেও এখন আর এপারে আসার অনুমতি দিচ্ছে না ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
তিনি আরও জানান, বনগাঁয় আরও ৩৯টি ট্রাক ও রানাঘাট রেলস্টেশনে ৩টি রেল ওয়াগন পেঁয়াজ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। অন্তত এক সপ্তাহ আগে রেলের এই পেঁয়াজগুলো ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে রানাঘাট স্টেশনে আনা হয়। ওয়াগনগুলো সরাসরি বেনাপোলে আসবে না; সেখান থেকে ট্রাকে তুলে বেনাপোল আনার কথা ছিল।
সাজেদুর রহমান জানান, আটকে থাকা এসব পেঁয়াজে পচন ধরেছে। দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে বলে রপ্তানিকারকরা আমাকে জানিয়েছেন।
ভারতীয় বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ওপারেও এ রকম প্রায় ২০০ ট্রাক পেঁয়াজ নিয়ে আটকে আছে।
বাংলাদেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েল এন্টারপ্রাইজের মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ ডলার মূল্যে ৭৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজের ঋণপত্র (এলসি) দেওয়া আছে তাদের। কিন্তু গত সোমবার মাত্র এক ট্রাক পেঁয়াজ বেনাপোলে ঢোকার পর বন্ধ হয়ে যায়। এখন বন্দর এলাকায় থাকা পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকগুলোর বিষয়ে তারা দুই-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না নিলে পেঁয়াজ পঁচে নষ্ট হয়ে যাবে। তাতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’
পেট্রাপোল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চ্যাটার্জি জানান, কী পরিমাণ পেঁয়াজের ট্রাক আটকে আছে তা তারা দিল্লিকে জানিয়েছেন। কিন্তু সেখান থেকে কোন নির্দেশনা এখনও তারা পাননি।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

