এমএনএ রাজনীতি ডেস্কঃ ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের ধৈর্য ধরতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে বলবো ধৈর্য ধরতে, প্রতিবাদ করার দরকার নেই।’
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সবাইকে বলবো ধৈর্য ধরতে, প্রতিবাদ করার দরকার নেই। সরকার ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার করছে। কাওকে রেহাই দিচ্ছে না। প্রতিবাদ যেজন্য করা হচ্ছে, সরকার এ ঘটনার বিচার করছে। এ অবস্থায় যেজন্য প্রতিবাদ, সরকারই তো অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সামাজিকভাবে চিহ্নিত সন্ত্রাসী যাতে দলে স্থান না পায় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক, তার আসল পরিচয় দুর্বৃত্ত। দুর্বৃত্তের দলীয় কোনও পরিচয় নেই। অপরাধীর ব্যাপারে দেশরত্ন শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স। আমরা আন্দোলনের রাজনৈতিক ইস্যু তুলে নিতে কাওকে এলাউ করিনি। সরকার স্বপ্রণোদিত হয়েই সর ধরণের অপরাধের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করেছে। সাম্প্রতিককালে বেশকিছু বিচার কার্য সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ধর্ষকের পরিচয় ধর্ষক, সে অপরাধী, দুর্বৃত্ত। ধর্ষণরোধে সম্মিলিতভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সামজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা পালন করছে। আমাদের নেত্রীর নির্দেশনা হলো, অপরাধী যত বড় নেতাই হন, যত প্রভাবশালী হোক না কেনো তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমাদের সরকারের অনেক এমপি মন্ত্রীকেও আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে।’
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

