এমএনএ খেলাধুলা ডেস্ক : প্রথম তিন টেস্ট জেতার পর পঞ্চম টেস্টেও ইংল্যান্ডকে ১৪৬ রানের বড় ব্যবধানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। মাঝে এক ম্যাচ ড্র করতে সক্ষম হওয়ায় এবারের অ্যাশেজ অস্ট্রেলিয়া জেতে ৪-০ ব্যবধানে।হাতে ছিল দুই দিনেরও বেশি সময় তবে ২৭১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানে থামে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন জ্যাক ক্রাউলি। বাকিদের মধ্যে ররি বার্নস ২৬ জো রুট ১১ ও ডেভিড মালান ১০ রান করেন। অজিদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন প্যাট কামিন্স, স্কট বোল্যান্ড ও ক্যামেরুন গ্রিন।ইংল্যান্ডের এই অ্যাশেজ হারের পেছনে অনেকেই মূল কারণ দেখছেন তাদের ব্যাটিংকে। ব্যাটারদের দৈন্যদশা এতোটাই যে, এটি ইংল্যান্ড দলকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ১৩২ বছর আগে অর্থাৎ ১৮৯০ সালে।
এবারের পুরো অ্যাশেজে ইংল্যান্ড দলের ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ১৯.১৮! যা কি না ২০০১ সালের পর যেকোনো দলের জন্য পাঁচ ম্যাচের সিরিজে সর্বনিম্ন। এ ছাড়া অ্যাশেজ সিরিজে ১৮৯০ সালের পর এত কম ব্যাটিং গড় দেখল ইংল্যান্ড। ১৩২ বছর আগের সেই অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং গড় ছিল ১৫.৭৪।
ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতার প্রমাণ মিলেছে হোবার্ট টেস্টে। পঞ্চম টেস্টে চার ইনিংস মিলিয়ে খেলা হয়েছে মাত্র ১৩১২ বল। যা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পুরো ৪০ উইকেট পড়া ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে ১৮৮৮ সালের সিডনি টেস্টে খেলা হয়েছিল মাত্র ১১২৯ বল।
এদিকে এবারের অ্যাশেজেই অভিষেক হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পেসার স্কট বোল্যান্ডের। তিনি মাত্র ৯.৫৫ গড়ে নিয়েছেন ১৭টি উইকেট। টেস্ট ইতিহাসে অভিষেক সিরিজে অন্তত ১৫ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা গড় এটি। অভিষেক সিরিজে তার চেয়ে ভালো গড় ছিল নরেন্দ্র হিরওয়ানি (৮.৫০) ও চার্লি টার্নারের (৯.৪৭)।
এদিকে হোবার্টে দুই দলের চার ইনিংস মিলিয়ে পেসাররাই নিয়েছেন ৩৯ উইকেট। অ্যাশেজের এক ম্যাচে পেসারদের নেওয়া সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড এটি। ১৯৮১ সালের লিডস টেস্ট ও ২০১০ সালের পার্থ টেস্টে ৩৮টি করে উইকেট নিয়েছিলেন পেসাররা।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

