Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / লোকসভা নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের তুলনায় কম এগিয়ে নরেন্দ্র মোদির এনডিএ
এনডিএ

লোকসভা নির্বাচনের বুথফেরত জরিপের তুলনায় কম এগিয়ে নরেন্দ্র মোদির এনডিএ

এমএনএ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে ক্ষমতাসীন বিজেপির জোট এনডিএ বা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স। বিপরীতে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোট বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে। তবে বুথফেরত জরিপের করা ভোটের ব্যাপক পার্থক্যের হার লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

ভোটগণনার শুরুর দিকে বিজেপি ৪০টি আসনে এগিয়ে থাকলেও পরে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার এগিয়ে থাকা আসনের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। অন্তত ভোট গণনা শুরু হওয়ার ঘণ্টা তিনেক পরের চিত্র এমনই।

বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টায় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির লাইভ আপডেট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এগিয়ে রয়েছে ২৯০টি আসনে। আর বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট এগিয়ে ২২৮টি আসনে।

অন্যদিকে ইন্ডিয়া টুডের প্রকাশিত সর্বশেষ গণনার ফল বলছে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৬ আসনে এগিয়ে আছে। আর কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এগিয়ে ২২৮ আসনে। বাকি ১৯ আসনে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ অন্যরা।

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট যদি সরকার গঠন করতে চায় তাহলে তাদের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২৭২টিতে জয় পেতে হবে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে দুটি বড় জোটের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। এর একটি দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) এবং অন্যটি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এনডিএ জোট টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটও নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের ব্যাপারে আশাপ্রকাশ করেছে।

কংগ্রেসের মুখপাত্র পাওয়ান খেরা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটা একেবারে শুরুর দিকের ফল। দিনের পরের অংশে আমরা আরও ভালো ফল দেখতে পাব।’

গত ১ জুন বুথফেরত জরিপে মোদির বড় ব্যবধানে জয়ের পূর্বাভাষ পাওয়া গিয়েছিল। তবে ভারতে এ ধরনের জরিপের ফল প্রায়ই ভুল প্রমাণিত হয়।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রায় ১০০ কোটি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ৬৪ লোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন।

মোদির সম্ভাব্য বিজয় নিয়ে ব্যবসায়ীরা উল্লাস করছেন বলে গণমাধ্যমে জানানো হয়। তাদের মতে, মোদি আবারও ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক সংস্কার ও দৃঢ় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে। অপরদিকে, প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের আশঙ্কা, দুই-তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে বিজেপি সংবিধানে পরিবর্তন আনবে।

বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশ করা হয় ১ জুন। সেখানে পূর্বাভাষ দেওয়া হয়, ৫৪৩ আসনের লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে মোদির জোট।

কিছু জরিপে বলা হয়, ২০১৯ সালের মতো এবারও বিজেপি একাই ৩০৩ বা তার চেয়েও বেশি আসন পেতে পারে।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন মোদি (৭৩)। এবার জয়ী হলে তিনি জওহরলাল নেহেরুর পর দ্বিতীয় ভারতীয় নেতা হিসেবে টানা তৃতীয় মেয়াদে দেশের ক্ষমতায় বসবেন।

x

Check Also

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ফাইল অনুমোদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অনিয়ম প্রমাণে চ্যালেঞ্জ আসিফ মাহমুদের

এমএনএ প্রতিবেদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইলে অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ ...