আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-এর রাজনীতিতে শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মমতা ব্যানার্জী-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস-এর শক্ত অবস্থানের রাজ্যে তিনি দলের ভিত্তি মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
শুভেন্দু অধিকারী শুধু প্রভাবশালী নেতা নন, বরং নির্বাচনী রাজনীতিতেও নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। নন্দীগ্রাম-এ জয়ের পর তিনি ভবানীপুর-এও মমতা ব্যানার্জীকে পরাজিত করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কোনো অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত নেতার শক্ত ঘাঁটিতে ঢুকে জয় পাওয়া অত্যন্ত বিরল। সে কারণে ভবানীপুরে এই জয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা হয়নি, তবুও রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে—ভবিষ্যতে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে থাকতে পারেন। কারণ, যে রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি ক্ষমতার বাইরে ছিল, সেখানে দলকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী একসময় মমতা ব্যানার্জীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। নন্দীগ্রাম আন্দোলন-এ তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সক্রিয় রাজনীতি করেন। তবে দলীয় মতবিরোধের জেরে ২০২০ সালে তিনি দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।
২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি শুধু নিজের আসনে জয় পাননি, বরং সারা রাজ্যে প্রচারণা চালিয়ে দলের সমর্থন বাড়াতেও ভূমিকা রেখেছেন।
ভোটের ফল প্রকাশের দিন তিনি বিরোধী শিবিরের কয়েকজন নেতাকে লক্ষ্য করে কড়া মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “মমতা, তেজস্বী, রাহুল শেষ—অখিলেশ পরের টার্গেট,”—যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

