আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ
Posted by: News Desk
June 4, 2019
এমএনএ রিপোর্ট : এক মাস সিয়াম সাধনার পর খুশির ঈদ সমাগত। আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল সারা দেশে উদযাপিত হবে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম উৎসব ঈদুল ফিতর।
এবারের পবিত্র রমজান মাস ২৯ দিনের হলে আজ চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আগামীকাল সারা দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
আর রমজান ৩০ দিনের হলে আগামী বুধবার চাঁদ দেখা না গেলেও বৃহস্পতিবার ঈদ হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বৈঠকে বসবে। এ বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে ঈদ কাল না পরশু হবে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রায় প্রতিটি ঘরে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাধ্যমতো সব পরিবারই নতুন জামা-কাপড় কিনেছে। খাবার তৈরির জন্য কেনা হয়েছে সেমাই, চিনি, দুধসহ সুস্বাদু খাদ্যসামগ্রী। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের আগে দরিদ্র লোকদের ফিতরা-জাকাত দিয়ে থাকেন।
এবারের সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা। ইসলামের বিধান অনুযায়ী ঈদের জামাতের আগেই ফিতরা পরিশোধ করে দিতে হয়।
ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ঈদের জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে। ঈদগাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখবেন। সাদা পোশাকে র্যাব এবং পুলিশ সদস্যরা তৎপর থাকবেন।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় মহানগরীর ৯৩টি ওয়ার্ডে মোট ৪০৪টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে এবং জাতীয় সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় আরও দুটি পৃথক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সেখানে ঈদের জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ঈদের দিন সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বনানীর ঢাকা গেট থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত প্রধান সড়ক এবং সড়ক দ্বীপসমূহে জাতীয় পতাকা এবং বাংলা ও আরবিতে ঈদ মোবারক লেখা ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত করা হবে। রাতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে।
বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলো ঈদের দিন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বিশেষ ঈদ সংখ্যা প্রকাশ করছে।
ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, ছোটমণি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, আশ্রয় কেন্দ্র, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রসমূহে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা টিকিটে রাজধানীর সব শিশুপার্কে প্রবেশ, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে।
ঈদ ঈদের ফিতর জামাত 2019-06-04