এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে এটিএম কার্ড নকল এবং গ্রাহকের তথ্য হ্যাকিংয়ের মত বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে, যা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।
বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে নিরাপত্তার পরিস্থিতি কেমন?
বাংলাদেশের প্রযুক্তি কর্মকর্তাদের সংগঠন, সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেনের পরিমাণ দিন দিন বাড়লেও, একইভাবে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। সে কারণে গ্রাহকেরা সব সময় অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আশংকায় থাকেন।
তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ঘটা ঘটনাগুলোতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ তত বেশি নয় বলে জানান তপন কান্তি সরকার।
তার মতে, এখন প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনাই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান কাজ। এজন্য ব্যাংকগুলোকে এখন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেবার মান আরও বাড়াতে হবে।
একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যেও ইলেকট্রনিক লেনদেনের ব্যাপারে সচেতনতার যে অভাব রয়েছে সেদিকেও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তপন কান্তি।
এই মূহুর্তে বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৭টি ব্যাংক ও ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। কিন্তু নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে বিভিন্ন সময়ে এটিএম কার্ড নকল এবং তথ্য হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা ঘটায় এই খাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা।
এই প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় আজ সোমবার অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট এবং সিটিও ফোরামের উদ্যোগে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এতে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর অনলাইন নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যাংকার বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

