এমএনএ রিপোর্ট : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও আয়করসংক্রান্ত পাঁচটি মামলার স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে তাকে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর মধ্যে চাঁদাবাজির তিনটি মামলায় তারেক রহমানকে ৩০ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেয়। তারেক রহমানের করা পৃথক পাঁচ রিটের নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেকের কর ফাঁকির দুই মামালার স্থগিতাদেশও আদালত তুলে নিয়েছে। ফলে পরোয়ানা মাথায় নিয়ে গত
আট বছর ধরে লন্ডনে অবস্থানরত তারেকের বিরুদ্ধে এই পাঁচ মামলার বিচার চালিয়ে রিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, দুটি যুক্তিতে আদালত আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
তারেক রহমানের আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, মুদ্রা পাচার মামলায় আইনের দৃষ্টিতে তারেক রহমান পলাতক বলে আদালত এসব মামলায় তাঁদের অংশগ্রহণ করতে দেননি।
আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে চাঁদাবাজির অভিযোগে গুলশান, শাহবাগ ও কাফরুল থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়। তারেক রহমানের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিন মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন আদালত। অন্যদিকে ২০০৭ সালে ও ২০০৮ সালে আয়কর বিবরণীতে অসত্য তথ্য দেওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিম্ন আদালতে পৃথক দুটি মামলা করে। এই দুই মামলায়ও তারেকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল ও মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। সম্প্রতি এসব রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। নয় বছর ও আট বছর আগে হওয়া মামলায় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

