এমএনএ রিপোর্ট : কতজন হজযাত্রী এবার হজে যেতে পারবেন না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসা হওয়ার পরও এখনও ১২ হাজার হজযাত্রীর বিমান টিকিট কাটেনি এজেন্সিগুলো। এজেন্সিগুলোর প্রতারণার কারণে তাদের হজযাত্রা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। হজে যাওয়ার সময় যত ফুরিয়ে আসছে, এই আশঙ্কা ততই বাড়ছে। তবে হজ ফ্লাইটের নতুন করে সাতটি স্লট পাওয়ায় এ সংকট কাটতে পারে বলে আশা করছে বিমান কর্তৃপক্ষ।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের হজে যাওয়ার কথা। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১ লাখ ৯ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এখনও ২১ হাজার হজযাত্রীর সৌদি আরব যাওয়া বাকি রয়েছে। আগামীকাল রবিবারের জন্য অতিরিক্ত সাতটি স্লটের অনুমোদন পেয়েছে বিমান। সে ক্ষেত্রে ভিসা পাওয়া সব হজযাত্রী পরিবহন নিয়ে সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা করছে বিমান কর্তৃপক্ষ। এদিকে আজ শনিবার বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন স্লট পাওয়ায় এ সময়সীমা বাড়ছে। তবে আগামীকাল রবিবার সৌদি এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট শেষ হচ্ছে।
গতকাল আশকোনা হজক্যাম্পে সরেজমিন ঘুরে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভিসা হলেও পাসপোর্ট ও টিকিট হাতে পাননি অনেকে। সংশ্লিষ্ট এজেন্সি মালিক ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছে রয়েছে যাত্রীদের পাসপোর্ট ও টিকিট।
গত বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে আশকোনা হজক্যাম্পে আসা রাহিমুলসহ কয়েকজন হজযাত্রী বলেন, আগামীকাল রবিবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে তাদের সৌদিতে যাওয়ার কথা। ভিসা হয়েছে, তবে পাসপোর্ট ও টিকিট হাতে পাননি তারা। স্থানীয় একটি এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনে সৌদি যাওয়ার জন্য তারা আশকোনা হজক্যাম্পে অবস্থান করছেন। জানা গেছে, রাহিমুলের মতো হজক্যাম্পে অবস্থানরত শতাধিক যাত্রীর ভিসা হলেও মেলেনি পাসপোর্ট ও টিকিট। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় সময় কাটাচ্ছেন হজযাত্রীরা। হজক্যাম্পে কান্নাকাটি করছেন অনেকে।
এ ব্যাপারে বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ সমকালকে বলেন, এবার ৬৩ হাজার ৬০০ হজযাত্রী বহন করবে বিমান। গতকাল পর্যন্ত বিমান ৫৬ হাজার ৫৭৩ হজযাত্রী বহন করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও বলেন, বাড়তি সাতটি স্লটের অনুমোদন পাওয়া গেছে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

