Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / স্টিফেন হকিংয়ের বিখ্যাত সব বই

স্টিফেন হকিংয়ের বিখ্যাত সব বই

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যার দিকপাল স্টিফেন হকিং বেশকিছু বিখ্যাত বিজ্ঞান-গ্রন্থের প্রণেতা। তার লিখিত বইগুলো এই রহস্যময় বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অনেক রহস্য উন্মোচনে সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানকে করেছে আরো সমৃদ্ধ।
মরণব্যাধি মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত স্টিফেন উইলিয়াম হকিং চিকিৎকদের ভবিষ্যদ্বাণীকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ৫৫ বছর বেঁচেছিলেন। শারীরিক অক্ষমতা তাঁকে রুখতে পারেনি। আইনস্টাইনের পর হকিংকে বিখ্যাত পদার্থবিদ হিসেবে গণ্য করা হয় তাঁকে। দুরারোগ্য আক্রান্ত হওয়ার পরে স্টিফেন হকিং নিজেকে পৃথিবীর সেরা মহাকাশবিজ্ঞানীদের একজন হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।
পৃথিবীর সেরা মহাকাশবিজ্ঞানীদের একজন স্টিফেন হকিং নিজে এবং কারো সঙ্গে মিলে এ পর্যন্ত ১৫ টি বই লিখেছেন।
এর মধ্যে ১৯৮৮ সালে ‘ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’ শীর্ষক বইটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্টিফেন হকিং ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। বইটিতে মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য নিয়ে তিনি তত্ত্ব দেন। চার বছরের বেশি সময় ধরে বইটি ‘লন্ডন সাইনডে টাইমস নিউজপেপারে’র তালিকায় বেস্ট সেলারের স্থান দখল করে ছিল। প্রকাশনার পর থেকে বইটির এক কোটি কপি বিক্রি হয় এবং ৪০ টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়।
এত বিপুল জনপ্রিয়তার পরেও কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলেন হকিংয়ের ‘ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’ বইটি বুঝতে পারা খুব সহজ ছিল না। একারণে ২০০১ সালে তিনি সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে আরো অনেক ব্যাখা দিয়ে ‘দ্য ইউনিভার্স ইন এ নাটসেল’ বইটি লিখেন।
এরপর তিনি আরও কয়েকটি বই লিখেছেন। তার মধ্যে ‘ব্ল্যাক হোল : দ্য রিথ লেকচারস;, ‘জর্জ এন্ড আনব্রেকেবল কোড’, ‘ব্ল্যাক হোল এন্ড বেবি ইউনিভার্স’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ মহাবিশ্ব নিয়ে তিনি ‘দ্য গ্রান্ড ডিজাইন’ বইটি লিখেন। এটি প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে।
স্টিফেন হকিং বেশিরভাগ বইয়ে মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টির অস্তিত্ব নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন করেছেন, এ নিয়ে তত্ত্বও দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিষয়টি নিয়ে গবেষণাপত্র এবং অনেক লেকচারও প্রকাশ করেছেন।
হকিং অসুস্থ হওয়ার পর থেকে বিশ্ব জুড়ে তার ভক্ত সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার দূরারোগ্য অসুখ পর চিকিৎসকরা ভেবেছিলেন তিনি তখনই মারা যাবেন। কিন্তু তাদের সেই ধারনা ভুল প্রমাণ করে হকিং পাঁচ দশক বেশি সময় বেঁচেছিলেন।
সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্টিফেন হকিংয়ের গবেষণা ব্রহ্মাণ্ডের রহস্যভেদে সভ্যতাকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন বলে বিভিন্ন সময়ে মত প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। শুধু গবেষণাই নয়, বিজ্ঞানের প্রসারে সব সময় তৎপর থাকতেন স্টিফেন হকিং।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...