Don't Miss
Home / ব্যবসা ও বাণিজ্য / চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১০০০ কনটেইনার উধাও!

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১০০০ কনটেইনার উধাও!

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : কাগজে-কলমে থাকলেও দেশের প্রধান বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা প্রায় ১০০০ কনটেইনার উধাও হয়ে গেছে বলে বলে আশঙ্কা করছেন চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এসব কনটেইনারের অবস্থান জানতে এরই মধ্যে বন্দর কর্তৃক্ষকে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও ‘উধাও’ হয়ে যাওয়া কনটেইনারের নম্বরসহ সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে গতকাল বুধবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক রাত সাড়ে ৮টায় গণমাধ্যমকে বলেন, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানি পণ্যভর্তি ৬০টি কনটেইনার কাগজে-কলমে থাকলেও বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজতে পাওয়া যাচ্ছে না উল্লেখ করে চিঠি দিয়েছে গত মঙ্গলবার। আবার কাস্টমস কমিশনার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ১ হাজার কনটেইনার পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় আমরা গতকাল বুধবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে বলেছি কনটেইনারের নম্বরসহ সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে। গড়পড়তা এভাবে কনটেইনার উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করাটা সমীচীন নয়।
জানা গেছে, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১৬ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি পণ্যভর্তি মোট ৫ হাজার কন্টেইনার অবস্থান নিয়ে কাজ শুরু করে কাস্টমস কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম কাস্টমসের বর্তমান কমিশনার ড. একেএম নুরুজ্জামান যোগদানের পর অতিরিক্ত কমিশনার মো.শফিউদ্দিনকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি কাজ করতে গিয়ে দেখে বেশ কিছু কন্টেইনার কাগজে-কলমে বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজতে থাকলেও প্রকৃত পক্ষে নেই।
এদিকে চট্টগ্রাম কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার শফিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, কাগজে-কলমে থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে বেশ কিছু কনটেইনার খুঁজে না পাওয়ায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির প্রধান তিনি। কমিটি কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত কতসংখ্যক কনটেইনার উধাও হয়েছে তা জানা যায়নি, তবে তদন্ত চলছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টম কমিশনার ড. একেএম নুরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত আইজিএম দাখিল হয়েছে, অ্যাসেসমেন্ট হয়েছে টাকা পরিশোধ হয়নি, অ্যাসেসম্যান্ট ও টাকা পরিশোধ হয়েছে অথচ পণ্য খালাস হয়নি, নিলাম হয়েছে এমন ৫ হাজার কন্টেইনারের অবস্থান নিয়ে কাজ করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কারণ এসব কন্টেইনারে করে আসা পণ্যে সরকারের বিপুল রাজস্ব জড়িত।
তিনি বলেন, বেশ কিছু কন্টেইনার উধাও হয়ে গেছে বলে ধারণা করছে কমিটির সদস্যরা। এ বিষয়ে বন্দরের সঙ্গে আলাপ হচ্ছে। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
x

Check Also

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, বিনিয়োগকারীদের জন্য বিমানবন্দরে ঝামেলাহীন প্রবেশ ব্যবস্থার দাবি ব্যবসায়ীদের

এমএনএ প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ...