Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / ভোটের ৭ দিন আগে সেনা মোতায়েন চায় বিএনপি

ভোটের ৭ দিন আগে সেনা মোতায়েন চায় বিএনপি

এমএনএ রিপোর্ট : আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটের সাত দিন আগে থেকে সেনা মোতায়েন দাবি করেছে বিএনপি। পাশাপাশি গাজীপুরের বর্তমান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে প্রত্যাহারসহ সিভিল প্রশাসন ও পুলিশের চিহ্নিত দলবাজ ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বদলীপূর্বক নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে দলটি।
আজ মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে সিইসি কেএম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠকে লিখিত আকারে এ দাবি জানিয়েছে দলটি।
লিখিত দাবিনামায় বলা হয়, দুই সিটি নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে নির্বাচনী এলাকায় টহলসহ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করতে হবে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুণ অর রশীদকে প্রত্যাহার করারও দাবি জানিয়েছে বিএনপি। কারণ নির্বাচনী অনিয়মের কারণে ২০১৬ সালে কমিশন তাকে প্রত্যাহার করেছিল। তিনি ২০১১ সালের ৬ জুলাই সেই সময়ের বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবদীন ফারুককে পিটিয়েছিলেন বলে দাবিনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করার কথাও দাবিনামায় উল্লেখ রয়েছে।
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত হয়।
অন্য সদস্যরা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।
বৈঠক শেষে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট তারিখের ৭ দিন আগে থেকে নির্বাচনী এলাকায় টহলসহ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে’।
তিনি বলেন, ‘গাজীপুর জেলায় বর্তমানে পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ইতোপূর্বে ২০১৬ সালে গাজীপুরে ইউপি নির্বাচনের সময় একটি বিশেষ দলের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়ায় তাকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একবার প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তাছাড়া গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকায় কর্মরত মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের মতো সিভিল প্রশাসন ও পুলিশের চিহ্নিত দলবাজ ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বদলীপূর্বক নিরপেক্ষ পেশারদার কর্মকর্তা পদায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে’।
তিনি আরও বলেন, ‘বৈঠকে বিএপির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়েছে। দাবিগুলো নির্বাচন কমিশন ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।’
ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। তাকে মুক্তি না দিলে সবার জন্য লেবেল প্লেয়িং ফ্লিড তৈরি হবে না। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম, বিভিএমসহ সব ধরনের মেশিন ব্যবহার না করারো দাবি জানানো হয়েছে’।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পাশাপাশি, বিএনপির নেতাকর্মীদের মুক্তি ও দলীয় কর্মসূচি পালন প্রভৃতি বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...