Don't Miss
Home / ব্যবসা ও বাণিজ্য / ইলিশের কেজি সাড়ে তিন থেকে চার’শ টাকা!

ইলিশের কেজি সাড়ে তিন থেকে চার’শ টাকা!

এমএনএ জেলা প্রতিনিধি : দেশের দক্ষিনে সাগর উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর মাছ ধরা পড়ায় রুপালি ইলিশের কেজি সাড়ে তিন থেকে চার’শ টাকা! রাজধানী খ্যাত চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের আমদানি ও সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। এর প্রভাবে দামও কমতির দিকে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শবেবরাত সরকার জানান, এখন প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মণ ইলিশ বিক্রির জন্য আড়তে আনা হয়। যার সিংহভাগ নামার মাছ। লোকাল নদীর মাছ কম। আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দামও কমে এসেছে। এখন সাধারন মানুষ ইলিশ কিনে খেতে পারেন। ৩/৪’শ গ্রাম ওজনের মাছের কেজি সাড়ে তিন’শ থেকে চার’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাঁদপুর ঘাটের সব চাইতে বড় ইলিশ ব্যবসায়ি ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব আঃমালেক খন্দকার জানান, মাছের আমদানি আগের চাইতে ভালো। লোকাল নদীতে মাছ আগে তেমন ছিলো না, এখন হইতাছে। বঙ্গোপসাগর, হাতিয়া, ডালচর, মহিপুর ও কুয়াকাটায় ইলিশ ধরা পড়ছে এখন। দুই তিনটায় এক কেজি মাছের দাম নিম্মে সাড়ে তিন’শ টাকা। মাছের আকার যত বড় হবে দাম তার বেশি।

জাহাজমারা হাতিয়ার মনির উদ্দিন মেম্বার জানান, ষোল হাজার টাকা মণ দরে চাঁদপুর ঘাটে মাছ বিক্রি করে তাদের ছবিল হয়নি। একটি ট্রলার সাগরে গেলে খরচ হয় দুই লাখ টাকা। ইলিশ বিক্রেতা আজিজুল হক জানায়, সবে মাত্র মওসুম আরম্ভ সামনে মাছ আরো বাড়বে।

আরেকজন মাছ বিক্রেতা সফিকুল জানায়, মাছ সাগর ও নদীতে ধরার পর আট দশবার হাত বদল হবার কারণে ইলিশের দাম তেমন কমে না। তারপরও এবার মাছ পাওয়ায় দাম কিছুটা কমেছে। চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সফিকুর রহমান জানান, মাছটা মূলত ডাউনে ধরা পড়তেছে। ইলিশের পেটের ডিম এখনো পরিপক্ক হয়নি। উপকূলে মাছ উঠে আসছে।

x

Check Also

কোরবানির ঈদ সামনে: সীমান্তে চোরাই পশুর নির্মম বাণিজ্য, ক্ষতবিক্ষত গরু-মহিষ ঢুকছে দেশে

এমএনএ প্রতিবেদক কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসে, ততই সক্রিয় হয়ে ওঠে সীমান্তজুড়ে চোরাই পশুর অবৈধ ...