একযোগে ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পরমাণু হামলা চালাবে এই মিসাইল
Posted by: News Desk
November 23, 2017
এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : একযোগে পৃথক ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম চীনের আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ডংফেং-৪১। আগামী বছরের মাঝামাঝি এটি যুক্ত হচ্ছে চীনের সামরিক বাহিনীতে।
যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিজেদের সামরিক সক্ষমতার জানান দিতে পরমাণু হামলার প্রস্তুতি হিসেবে নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি চীন। এজন্য চীন উঠেপড়ে লেগেছে।
শব্দের চেয়ে ১০ গুণ দ্রুতগামী আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম। এছাড়া এ মিসাইল অন্তত ১০টি পরমাণু ‘ওয়ারহেড’ বা বোমা দিয়ে বিশ্বের যে কোনও স্থানে হামলা চালাতে পারবে। ১০টি পরমাণু বোমা দিয়ে পৃথক ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারবে এটি।
এছাড়া, শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করার প্রযুক্তিও থাকবে এতে। এ প্রযুক্তির আওতায় শত্রুকে বিভ্রান্ত করতে ‘ডামি ফ্লায়ার’ বা আতশবাজি ব্যবহার করবে ডংফেং-৪১।
২০১২ সালের পর থেকে অন্তত আট দফা ডংফেং-৪১য়ের পরীক্ষা চালিয়েছে চিন। চলতি মাসের গোড়ার দিকে অষ্টম পরীক্ষাটি চালানো হয় বলে জানিয়েছে চীনা দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। অবশ্য, এটি কোথায় চালানো হয়েছে তা খবরে উল্লেখ করা হয়নি।
কিন্তু বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এ সব পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
সে কারণে চীনা সেনাবাহিনীতে একে ব্যবহারের উপযোগী বলে ঘোষণা করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
গ্লোবাল সিকিউরিটি নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে, কঠিন জ্বালানি চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১০ থেকে ১২ হাজার কিলোমিটার। ১৫ মিটার দীর্ঘ এবং ২ মিটার ব্যাসার্ধের ডংফেং-৪১য়ের ওজন প্রায় ৩০ হাজার কিলোগ্রাম।
বেইজিংয়ের বেইহাং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যারোনেটিকস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক উ ডাফাং বলেন, ‘চীন শুধু হাইপারসনিক বিমান তৈরি করেই ক্ষান্ত নয়। হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির প্রকল্পও সফলভাবে চালু করেছে। ্আগামী ২০২০ সাল নাগাদ চীন পৃথিবীর হারপারসনিক জেট বিমান, অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম দিয়ে একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে। তখন সারা বিশ্বটাকে একক শাসন করবে চীন। এটা আমাদের জন্য খুব ভালো একটি খবর। ’
হামলা ১০টি একযোগে এই পরমাণু লক্ষ্যবস্তুতে চালাবে মিসাইল 2017-11-23