এমএনএ খেলাধুলা ডেস্ক : বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘণ্টায় ২১৯ কি. মি. গতিতে বল করে আলোচনায় এসেছেন পাকিস্তানের পেসার হাসান আলি!যারা নিয়মিত ক্রিকেট দেখেন ও বুঝেন তারা শিরোনাম দেখেই বুঝে যেতে পারেন এটা ভুয়া কথা। সর্বোচ্চ গতির বোলাররাও যেখানে ১৫০ কি. মি. গতিতে বল করতে হিমশিম খান সেখানে হাসান আলি কি না করবেন ২১৯ কি. মি. গতির বল! এতে অবশ্য হাসান আলিরও কোনো দায় নেই, ভুলটা করেছে শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্পিড গান। আদতে হাসান আলি ১৫০ কি. মি. গতিতে বল করেছেন কি না সেটাই সন্দেহ। দুই দলের প্রথম ম্যাচে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হয়েছে হাস্য-রসাত্মক অবস্থা।
ওই একই ম্যাচে পাকিস্তানের নেওয়াজ আলিও কি না বল করেছেন ঘণ্টায় ১৪৮ কি. মি. গতিতে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারায় পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের টার্গেট ৪ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়েছে সফরকারী দল। এ জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ১২৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুর দিকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ২৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারী দল। পাকিস্তান শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। দলীয় ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাবর আজম বাহিনী। মুস্তাফিজের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ান। রিজওয়ানকে সরাসরি বোল্ড আউট করেন কাটার মাস্টার। ফেরার আগে ১১ বলে ১১ রান করেন পাকিস্তান ওপেনার। পরের ওভারে তাসকিন তুলে নেন বাবর আজমের উইকেট। ১০ বলে ৭ রান করে ফিরে যান বাবর।
এরপর হায়দার আলিকে প্যাভিলিয়নে ফেরান মেহেদী হাসান। অভিজ্ঞ শোয়েব মালিককে রানআউট করেন নুরুল হাসান সোহান। শোয়েব মালিক ৩ বল খেললেও কোনো রান যোগ করতে পারেননি স্কোর বোর্ডে। এরপর খুসদিলকে নিয়ে ৫৬ রানের জুটি গড়েন জামান। ৩৪ বলে জামানকে নুরুল হাসানের ক্যাচ বানান তাসকিন। খুসদিল শাহর উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে শাদাব খানের ১০ বলে ২১ ও মোহাম্মদ নেওয়াজের ৮ বলে ১৮ রানে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

