এমএনএ রিপোর্ট : জেলা পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জাপা) অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
তিনি বলেছেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচন করব না। কারণ, এই নির্বাচন অর্থহীন। নির্বাচনের ফলাফল কী হবে তা আমরা জানি।’ তবে জাপা আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে জাতীয় পার্টি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী ১ জানুয়ারি আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। সেখানে আমরা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’
আজ রবিবার রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বিকল্পধারার সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম শহিদুর রহমানের জাতীয় পার্টিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এরশাদ তাঁর দলের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন প্রস্তাবের প্রতি ইঙ্গিত করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, ‘যাঁরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিধিসম্মত, বাস্তবসম্মত নির্বাচন কমিশন গঠন করা হোক। যারা সংসদের বাইরে আছে, তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো অধিকার নেই।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি মাত্র আট বছর ক্ষমতার বাইরে, তাতেই তারা ছিন্নভিন্ন। শুধু টেলিভিশন পর্দায় তাদের দেখা যায়, মাঠে দেখা যায় না। আমরা ২৬ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকেও মাঠে আছি, জনগণের হৃদয়ে আছি।’
আজ রবিবার নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। যাচাই-বাছাই ৩ ও ৪ ডিসেম্বর আর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
বর্তমান আইন অনুযায়ী, একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠন করা হবে। চেয়ারম্যানসহ এই ২০ জন সদস্যকে নির্বাচন করবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি করপোরেশন (থাকলে), উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, জাতীয় পার্টি ঢাকা উত্তরের সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সল চিশতী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

